শিরোনাম
◈ বিদেশমুখী হতে হবে না, দেশেই উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসরভাতার টাকা পাবেন যেভাবে ◈ পলাতক আ.লীগ নেতারা ভারতে যেভাবে দিন কাটাচ্ছেন! ◈ রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের উপর ১০০% শুল্ক! ট্রাম্প আইন আনছেন, মার্কিন সেনেটে বিল পাস  ◈ রদ্রিকে পেতে রিয়াল-বার্সার লড়াই, শেষ পর্যন্ত কে জিত‌বে? ◈ কমার বদলে বাড়ছে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ◈ মন্ত্রিসভায় আসছে নতুন মুখ ◈ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও বাণিজ্যিক পণ্য উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা ◈ দাপু‌টে জ‌য়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০৫:৩৬ বিকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

চলমান ইরান যুদ্ধে বেশি পরিমাণ টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহারে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পেন্টাগনের কর্মকর্তারা। চার সপ্তাহের যুদ্ধে ৮৫০টির বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। 

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নৌযান এবং সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এবং এক হাজার মাইলের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। বর্তমানে বছরে মাত্র কয়েকশটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদিত হয়, তাই বিশ্বব্যাপী এর সরবরাহ সীমিত। 

আধুনিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ২০০৪ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে যা জিপিএস ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম।

পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সংখ্যা এখন ‘চিন্তার বিষয়’। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে দ্রুতই স্টক শেষ হয়ে যেতে পারে। পেন্টাগনের অফিসিয়াল বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমরা ‘উইনচেস্টার’-এর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি—যা সামরিক ভাষায় গোলাবারুদ শেষ হওয়া বুঝায়।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের একক মূল্য সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার এবং তৈরি হতে দুই বছর সময় লাগে। পেন্টাগন এরই মধ্যে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক করেছে।

এদিকে মার্কিন কংগ্রেস সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড এর মোট মজুতের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, কয়েকটি থাড রাডার সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে এবং সেগুলো পুনঃস্থাপন করতে কয়েক বছরের বেশি সময় লাগবে। এর ফলে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যেই ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে। এখন তাদের লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার উৎপাদনকারক কারখানাগুলো ধ্বংস করা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়