শিরোনাম
◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তারা পাশে না থাকলে আমরাও থাকব না : ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

ইউরোপীয় মিত্রদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সামরিক জোট ন্যাটোর পাশে থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ইস্যুতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো সহায়তা না করায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) ফ্লোরিডার মিয়ামিতে আয়োজিত এক বিনিয়োগ ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প সরাসরি জানান, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যদি বিপদে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না থাকে, তবে ওয়াশিংটনেরও তাদের পাশে থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওয়াশিংটন ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা করেনি। হামলার পর ন্যাটোর অনেক সদস্য দেশ এই সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে। মিত্রদের এমন ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকতাম। কিন্তু এখন তাদের কার্যকলাপের ভিত্তিতে আমার মনে হয়, আমাদের তাদের পাশে থাকার প্রয়োজন নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি তারা আমাদের পাশে না থাকে, তবে আমরা কেন তাদের পাশে থাকব? তারা আমাদের পাশে ছিল না।’

উল্লেখ্য, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই যুদ্ধ প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলছে। ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের এই নিষ্ক্রিয়তা বা বিরোধিতা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে আগে থেকেই অস্বস্তি ছিল, যা এখন খোদ প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেল। ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ন্যাটোর ভবিষ্যৎ এবং আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়