শিরোনাম
◈ তিন বছর পর ভার‌তে ফিরছে আইপিএল নিলাম, ভেন্যু গোয়া ◈ ভারতকে নিয়ে ব্রা‌জিল কোচ আনচেলত্তি, প্রীতি ম্যাচ বলতে কিছু নেই ◈ বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১১ উড়োজাহাজ, বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি সই ◈ পাকিস্তান ছেড়ে ২ বছ‌রের চু‌ক্তি‌তে নেদারল্যান্ডসের কোচ অ‌্যাশ‌লি নফকে  ◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০৫:২৫ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২২ দেশের ঐক্যেও হরমুজে ইরানের দাপট কেন কমানো কঠিন

জ্বালানি পরিবহনের জন্য বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে সম্প্রতি ন্যাটোর সদস্যসহ মোট ২২টি দেশ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিলেও, এই অঞ্চলে ইরানকে সামরিকভাবে টেক্কা দেওয়া কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দোহার ‘ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ’-এর অধ্যাপক মুহাম্মদ আল-মাসরি এই সংকটের গভীরতা বিশ্লেষণ করেছেন।

advertisement

অধ্যাপক আল-মাসরির মতে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো ইরানের জন্য তুলনামূলক সহজ কাজ। তাদের কাছে হাজার হাজার ড্রোন রয়েছে, যা ইরানের ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই প্রণালিতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এ ছাড়া দেশটির কাছে রয়েছে বিস্ফোরকভর্তি রিমোট-কন্ট্রোল স্পিডবোট এবং শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র, যা জলপথে যেকোনো বড় জাহাজ বা লক্ষ্যবস্তুতে নিমেষেই আঘাত হানতে পারে।

আলোচনায় আল-মাসরি ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান এহুদ বারাকের একটি মন্তব্য উদ্ধৃত করেন। বারাক স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে স্বল্পমেয়াদে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা বা ইরানকে পিছু হটানো কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। ন্যাটোসহ জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মতো ২২টি দেশ এই মিশন হাতে নিলেও বাস্তব পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল।

advertisement


ইরানের ‘টিট ফর ট্যাট’ নীতি

ইরানের কৌশল সম্পর্কে বলা হয়েছে যে তারা সাধারণত কোনো হুমকি দিলে তা কার্যকর করার চেষ্টা করে। অধ্যাপক আল-মাসরি মনে করেন, ইরান ‘টিট ফর ট্যাট’ বা পাল্টাপাল্টি আঘাতের নীতিতে বিশ্বাসী। যদি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালায়, তবে ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পুরো অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সর্বোচ্চ ক্ষতি সাধন করতে পারে। এতে পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।

advertisement

এই সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের অক্ষের সঙ্গে সুর মেলালেও সৌদি আরব বা কাতারের মতো দেশগুলো এখনই সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নয়। তাদের আশঙ্কা, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলে তার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক ফলাফল পুরো অঞ্চলের ওপর পড়বে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ন্যাটোর সব দেশ একত্র হয়ে চাপ সৃষ্টি করলেও ইরানের এই ভৌগোলিক ও কৌশলগত সুবিধাকে টেক্কা দেওয়া বর্তমান সামরিক প্রেক্ষাপটে প্রায় অসম্ভব।

 

  • সর্বশেষ