শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৮:৫৬ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাত্র ১০% ওজন কমলেই শরীরে আসে যেসব পরিবর্তন

ওজন কমানোর প্রসঙ্গ এলে বেশিরভাগ সময়েই ওজন মাপার যন্ত্রে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় পৌঁছানোর কথাই বলা হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আপনার মনে রাখা প্রয়োজন তা হলো, আপনি যদি সামান্য পরিমাণে, এমনকী ১০% এর মতো কম ওজনও কমান, তাহলেও স্বাস্থ্যের উপকার হবে। আপনি যদি এখনও আপনার কাঙ্ক্ষিত ওজনে না পৌঁছে থাকেন, তবুও এই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে পারেন। এতে শরীরে কী উপকার ঘটে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে

advertisement

আপনার শরীরে যদি অতিরিক্ত চর্বি থাকে, তার মানে হলো শরীর ইনসুলিন ব্যবহারে কম কার্যকর। তাই একটি নির্দিষ্ট শতাংশ ওজন কমালে শরীর ইনসুলিনের সঙ্গে ভালোভাবে কাজ করতে পারে, যার ফলে গ্লুকোজ সহনশীলতা বাড়ে এবং ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। যদি কারও ডায়াবেটিস থাকে, তবে ওজন কমালে এই অবস্থাটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য হয়।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপকারিতা

advertisement

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, কিছুটা ওজন কমালে তা রক্তচাপ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে, এছাড়াও এটি হৃদপিণ্ডের জন্য অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কাছাকাছি চর্বি হ্রাস

advertisement

ওজন কমানোর দৃশ্যমান প্রভাব ছাড়াও, ওজন কমালে অভ্যন্তরীণ অঙ্গ, বিশেষ করে লিভারের কাছাকাছি থাকা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ কমে যায়। ফলে, এটি লিভারের অবস্থার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজের মতো বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে, যা আজকাল ক্রমশই বেশি দেখা যাচ্ছে।

জয়েন্টের ওপর চাপ হ্রাস

প্রতিটি অতিরিক্ত কিলোগ্রাম হাঁটু, নিতম্বের জয়েন্ট এবং কটিদেশীয় মেরুদণ্ডের উপর আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করে। তাই ওজন কমালে এই চাপ কমে যেতে পারে, যা চলাফেরা সহজ করে এবং জয়েন্টের ব্যথা কমিয়ে দেয়। অনেকেই সামান্য ওজন কমানোর পরেও নিজেদের আরও বেশি সচল বলে মনে করেন।

বিশ্রাম ও অধিক শক্তি

ওজন কমালে আপনি আরও ভালো ঘুমাতে পারবেন, বিশেষ করে যদি আপনার নাক ডাকার অভ্যাস থাকে বা ঘুম-সংক্রান্ত অন্য কোনো সমস্যা থাকে। ফলস্বরূপ, আপনি দিনের জন্য আরও বেশি শক্তি পাবেন এবং আরও মনোযোগী হবেন।

  • সর্বশেষ