শিরোনাম
◈ ওয়াশিংটন–তেহরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একসঙ্গে ইফতার করে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হিন্দু–মুসলিমরা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার তাজপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার আজাদ সমাজ পার্টির সিনিয়র নেতা এবং নুরপুরের রাজার এ.এইচ.এম. প্যারামেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান হাজি উসমান আনসারির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ একসঙ্গে ইফতার করেন।

বিজনোরের নূরপুর এলাকার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মিলে একই দস্তরখানে বসে ইফতার করে দেশজুড়ে শান্তি ও সংহতির বার্তা পৌঁছে দেন।

অনুষ্ঠানে হাজি উসমান আনসারি বলেন, "রমজান মাস হলো বরকত এবং ভ্রাতৃত্বের মাস। এটি এমন এক সময় যখন মানুষ নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং মানবতার সেবায় ব্রতী হয়। এই পবিত্র মাস আমাদের শেখায় কীভাবে একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে হয়।"

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি ধর্মের মানুষের উচিত একে অপরের উৎসব ও উদযাপনে অংশ নেওয়া। এতে সামাজিক বন্ধন মজবুত হয় এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায়।

ইফতারের আগে উপস্থিত সকলে মিলে দেশের নিরাপত্তা, শান্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মেহবুব আলম সালমানি, আইনজীবী নাঈম আহমেদ, সরদার কমলজিৎ সিং নূর, বিনীত কুমার, জুলফিকার আহমেদ, নওশাদ আহমেদ আব্বাসি এবং ড. ফাইয়াজ আহমেদ আনসারি প্রমুখ।বিজনোরের এই ইফতার মাহফিলটি কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি এবং গঙ্গা-যমুনা তফজিবের এক জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়