শিরোনাম
◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানের চারপাশে চীন-রাশিয়ার বোমারু বিমানের যৌথ টহল, যুদ্ধবিমান ওড়াল টোকিও

জাপানের চারপাশে রাশিয়া ও চীন যৌথভাবে বোমারু বিমানের টহল চালিয়েছে। এ ঘটনায় টোকিও যুদ্ধবিমান উড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যে এ ঘটনা ঘটল। জাপান গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, রাশিয়ার টিইউ–৯৫ পারমাণবিক সক্ষমতার কৌশলগত দুটি বোমারু বিমান জাপান সাগর থেকে পূর্ব চীন সাগরের দিকে উড়ে গেছে। সেখানে দুটি চীনা এইচ–৬ বোমারু বিমানের সঙ্গে মিলে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘দূরপাল্লার যৌথ টহল’ সম্পন্ন করেছে তারা।

মন্ত্রণালয় বলেছে, পরে চারটি চীনা জে–১৬ যুদ্ধবিমান বোমারু বিমানগুলোর সঙ্গে যোগ দেয়। এগুলো জাপানের ওকিনাওয়া ও মিয়াকো দ্বীপের মধ্যে যাওয়া–আসা করে। দুই দ্বীপের মাঝের মিয়াকো প্রণালি আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে স্বীকৃত।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, জাপান সাগরে একই সময় রাশিয়ার বিমানবাহিনীর কার্যক্রমও শনাক্ত করা হয়েছে। সেখানে একটি এ–৫০ আগাম সতর্ককারী বিমান ও দুটি এসইউ–৩০ যুদ্ধবিমান উড়ছিল।

রাশিয়া ও চীনের যৌথ অভিযান ‘স্পষ্টভাবে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়’।শিনজিরো কোইজুমি, জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, রাশিয়া ও চীনের যৌথ অভিযান ‘স্পষ্টভাবে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়’।

কোইজুমি আরও জানান, জাপানের যুদ্ধবিমানগুলোও কঠোরভাবে আকাশসীমা শনাক্তকরণ করেছে ও প্রতিরক্ষা–সংক্রান্ত সব নিয়ম মেনে চলেছে।

এদিকে মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রুশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের কাছে রাশিয়া ও চীনের যৌথ ফ্লাইট আট ঘণ্টা ধরে চলে।

গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সাতটি রুশ ও দুটি চীনা বিমান তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, রাশিয়া ও চীনের টহলরত চারটি বোমারু বিমানের সঙ্গে পরে চারটি চীনা যুদ্ধবিমান যোগ দেয়। এগুলো জাপানের ওকিনাওয়া ও মিয়াকো দ্বীপের মধ্যে যাওয়া-আসা করে। দুই দ্বীপের মাঝের মিয়াকো প্রণালি আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে স্বীকৃত।

গত রোববার জাপান বলেছে, আগের দিন চীনা বিমানবাহী জাহাজ থেকে উড্ডয়ন করা যুদ্ধবিমানগুলো জাপানি সামরিক বিমানের দিকে রাডার নিশানা করে। তবে বেইজিং এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

চীনের এসব সামরিক তৎপরতা এমন এক সময় বেড়েছে, যখন গত মাসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, ‘তাইওয়ানে চীনা সামরিক পদক্ষেপ যদি জাপানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, তবে টোকিও প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চীন ও রাশিয়া বিভিন্ন স্থানে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে। তারা যৌথভাবে রাশিয়ার মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মহড়া করেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবাহিনীর যৌথ লাইভ-ফায়ার অনুশীলনও চালিয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়