শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের বাঁধ পরিকল্পনায় পাল্টা প্রস্তুতি ভারতের, তিব্বত বাঁধের জবাবে ব্রহ্মপুত্রে ৭৭ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা

চীনের তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদীর উজানে বিশাল বাঁধ নির্মাণের প্রেক্ষাপটে ভারতও নতু ঘোষণা দিয়েছে। দিল্লি ৭৭ বিলিয়ন ডলারের এক বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি সোমবার জানিয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা থেকে ৭৬ গিগাওয়াটেরও বেশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহণের জন্য এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিশাল প্রকল্পের আওতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের ১২টি উপ-অববাহিকায় মোট ২০৮টি বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। এর মধ্যে ৬৪.৯ গিগাওয়াট সাধারণ জলবিদ্যুৎ এবং অতিরিক্ত ১১.১ গিগাওয়াট পাম্পড স্টোরেজ প্ল্যান্টের মাধ্যমে উৎপন্ন হবে।

ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের উজান থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।ভারতের বিশাল জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনার উৎস বলে মনে করা হয়। শুধুমাত্র অরুণাচল প্রদেশেই রয়েছে প্রায় ৫২.২ গিগাওয়াট সম্ভাবনা।

তবে নদীটির আন্তর্জাতিক চরিত্র এবং চীনের সীমানা সংলগ্ন অবস্থান ভারতের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। ভারত আশঙ্কা করছে, চীন যদি ইয়ারলুং জ্যাংবো নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণ করে, তাহলে শুকনো মৌসুমে ভারতের দিকে প্রবাহ ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

ভারতের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমন অর্জন করা।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়