শিরোনাম
◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর ◈ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে হুলিয়া, ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন সিদ্ধান্ত, ১ নভেম্বর ওয়েবসাইট নিবন্ধন শুরু হলেও জাহাজ চলবে ৩-৪ নভেম্বর থেকে ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ◈ সাঁতারে দ্বিতীয় দি‌নে ৮ রেকর্ড ◈ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন ◈ কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল-স্টেইড সেতু ◈ যান্ত্রিক ত্রুটি সারানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান ◈ প্রথম সেটে ধাক্কা, ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সোনা জয়

প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১১ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জিএস পদে শিবিরকে হারিয়ে বিজয়ী কে এই সালাউদ্দিন আম্মার?

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে বড় এক চমকই দিয়েছেন সালাউদ্দিন আম্মার। নির্বাচনে শিবিরের প্রার্থীকে হারিয়েছেন বড় ব্যবধানে। জিএস পদে নির্বাচন করে তিনি ভোট পেয়েছেন ১১৪৯৭টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজার ব্যালটে ভোট পড়েছে মোটে ৫৭২৭টি।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ পরিচিত মুখ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক। সে সময় তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন স্লোগান মাস্টার হিসেবে।

সে আন্দোলনের পরও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। নানা সময়ে নানা বিষয় নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। রাবি সংস্কার আন্দোলনের একজন প্রধান সংগঠক হিসেবে কাজ করে চলেছেন তিনি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তিনি।  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আগে তিনি সিনেমা নিয়ে কাজ করতেন। তখন রাজনৈতিকভাবে খুব একটা সরব ছিলেন না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনই তাকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।

তবে ২০২৪ এর জুলাইয়ের আগেও তিনি ক্যাম্পাসে নানাভাবে সক্রিয় ছিলেন। ক্যাম্পাস জীবনের শুরু থেকেই প্যালেস্টাইন মুভমেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ইস্যুতে নানা কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন তিনি।

পরে একটি চাকরিতে যোগ দেওয়ায় কিছুদিন ব্যহত ছিল তার কার্যক্রমে। তবে জুলাইয়ে সে চাকরি ছেড়ে নেমে আসেন আন্দোলনে। এরপর থেকে তিনি সক্রিয় আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক্যাম্পাসে তার জনপ্রিয়তার প্রধান কারণও এই সক্রিয়তাই। যা তাকে এবার এনে দিল রাকসু নির্বাচনে এই ভূমিধস বিজয়।

  • সর্বশেষ