শিরোনাম
◈ পাকিস্তান ছেড়ে ২ বছ‌রের চু‌ক্তি‌তে নেদারল্যান্ডসের কোচ অ‌্যাশ‌লি নফকে  ◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০২:১৫ রাত
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুসলিম পর্যটক আকর্ষণে কম্বোডিয়ার নতুন উদ্যোগ

পর্যটক আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কম্বোডিয়া। দেশটি তার মুসলিম সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনধারা তুলে ধরে উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষত মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরার মাধ্যমে দেশটি এশিয়ার মুসলিম পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়।

কম্বোডিয়া বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও প্রাচীন মন্দিরের জন্য বিখ্যাত, তবে দেশটির রয়েছে সমৃদ্ধ মুসলিম ঐতিহ্য। এখানে কয়েক শতাব্দী ধরে মুসলিম জাতি-গোষ্ঠির লোকেরা বসবাস করে। বৌদ্ধপ্রধান কম্বোডিয়ার প্রায় ১৭ মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে ৮ লাখ (প্রায় ৫ শতাংশ) নাগরিক মুসলিম।

advertisement

কম্বোডিয়ার সংস্কৃতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্টেট সেক্রেটারি ইয়ব আহাসকারি বলেন, ‘আমরা মসজিদগুলোকে পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। যেসব প্রদেশে মুসলিম কাম্পং (গ্রাম) রয়েছে, সেখানে বিদেশি পর্যটকরা এসে আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। কম্বোডিয়ায় আমাদের ‘চাম’ (মুসলিম) বলা হয় এবং আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে।’ 

তিনি ‘Cambodia Muslim Friendly Tourism Forum and Fair’-শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। 

advertisement

কম্বোডিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ মেলার মূল থিম হচ্ছে ‘আসসালামু আলাইকুম কম্বোডিয়া: একটি নিরাপদ, উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ গন্তব্য।’ ৯ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত আল-সেরকাল মসজিদে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

আহাস্কারি আরও বলেন, ‘দেশজুড়ে আমাদের ৬৫০টি মসজিদ আছে। আমরা মেকং নদীর ধারে অবস্থিত পুরনো মসজিদগুলোকে পর্যটন আকর্ষণে রূপান্তর করছি। এর মধ্যে কিছু কাঠের মসজিদ শত বছরেরও বেশি পুরনো এবং আজও তা নামাজের জন্য ব্যবহূত হচ্ছে। আমরা চাই বাইরের মানুষ দেখুক কিভাবে মুসলমানরা একটি বেৌদ্ধপ্রধান দেশে শানি্তপূর্ণভাবে বসবাস করছে।’

advertisement

কম্বোডিয়ার অর্থনীতি প্রধানত পর্যটননির্ভর। গত বছর প্রায় ৬০ লাখ বিদেশি পর্যটক দেশটি ভ্রমণ করে, যার মধ্যে মাত্র পাঁচ লাখ ছিলেন মুসলিম। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মত ইউনুস বলেন, ‘আমাদের কৌশল হলো সহজগম্যতা, পরিবেশ, যোগাযোগ ও সেবা এই চারটি বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া। আমরা মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বিমান সংযোগ বাড়াচ্ছি। বর্তমানে চারটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন মুসলিম দেশগুলো থেকে কম্বোডিয়ায় আসছে। খুব শিগগিরই আরো দুটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট যুক্ত হবে।’ সূত্র: বারনামা ডটকম

 

  • সর্বশেষ