শিরোনাম
◈ টাইমের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় বাংলাদেশের মেরিনা ◈ দেশের মানুষকে ডাল-ভাত খাওয়াতে  ব্যর্থ হয়েছিল বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী ◈ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল ফসফসরাস বোমা হামলা ◈ ঝালকাঠিতে ট্রাকচাপায় নিহতদের ৬ জন একই পরিবারের ◈ গাজীপুরের টঙ্গি বাজারে আলুর গুদামে আগুন ◈ রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনোয়ারুল হক মারা গেছেন ◈ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শনিবার ঢাকা আসছেন ◈ দুই এক পশলা বৃষ্টি হলেও তাপদাহ আরো তীব্র হতে পারে  ◈ এথেন্স সম্মেলন: দায়িত্বশীল ও টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ কেএনএফ চাইলে আবারও আলোচনায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে: র‌্যাবের ডিজি

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২২, ০৫:৩০ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২২, ০৫:৩০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিপসমের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

পরিচিতি সভা

ভূঁইয়া আশিক রহমান: ন্যাশনাল ইন্সিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশাল মেডিসিনের (নিপসম) ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রমের পরিচিতি সভা ও অসংক্রামক রোগ বিভাগের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২ টায় (১০ আগস্ট ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ) নিপসমের মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে এসবের শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণ করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ হওয়ায় সারাবিশ্বে পাবলিক হেলথের গুরুত্ব বেড়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল গঠন করেন। যদিও এ সময় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে মাইন অপসারণের দরকার ছিল। বঙ্গবন্ধু অনুভব করেন চিকিৎসা সেবা মাইন অপসারণের চেয়েও জরুরি। 

তিনি বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে স্কুল কলেজে ভাঙাচুড়া থাকায় পড়াশোনা করার জায়গা ছিল না। বঙ্গবন্ধুর সদূরপ্রসারী চিন্তার কথা উল্লেখ করলে বলা যায়, আজকে আমার মেডিক্যাল গবেষণার কথা বলছি। এটিও তাঁর দেশ শাসনের সময়ে শুরু করেন। তিনি তখন এই নিপসম প্রতিষ্ঠা করেন। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য নিটোর বা তৎকালীন পঙ্গু হাসপাতালে প্রখ্যাত অর্থপেডিক্স সার্জন গ্রাস সাহেবকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। তাঁর চিকিৎসা সেবা পেয়ে অনেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আইসিডিডিআর’বি মতলবের কর্মসূচি ওআরএসের মাধ্যমে ওইসময় লাইফ এক্সপেক্টেন্সি বাড়িয়ে দেয়। ওই সময় লোক বেশি মৃত্যুবরণ করত। তাহলে ওআরসের ব্যবহার, আইপিএসের স্যালাইন, এন্টিডেমিন ভ্যাকসিন বঙ্গবন্ধুর সময় তৈরি হয়। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পায়। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের সারা বাংলাদেশে চারটি হেলথ কমপ্লেক্স ছিল। প্রত্যেক বিভাগে একটি করে ছিল। চারটি বিভাগে চারটি ছিল। বঙ্গবন্ধু ক্ষমতায় এসে প্রত্যেক থানায় একটি করে হেলথ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত কমিনিউটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রও বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধু এতটা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি ছিলেন, যে বিষয়ে যে অভিজ্ঞ তাকে সেই বিষয়ে দায়িত্ব প্রদান করেন। প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ কুদ-রাত-খুদাকে দিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। একজন চিকিৎসককে স্বাস্থ্যসচিবের চেয়ারে বসান। যার ফলে বঙ্গবন্ধুর সময় সমস্তখাতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেনটিভ এন্ড সোশাল মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাইজিদ খুরশীদ আলম।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়