মনিরুল ইসলাম : চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্র নায়িকা মুক্তি। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত বা ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
মুক্তি জানান, নির্বাচনের আগে তিনি জয়কে একাধিকবার অনুরোধ করেছিলেন যাতে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা যায়।
আলাপকালে মুক্তি বলেন, “আমি জয়কে বলেছিলাম—আমাকে দুইটা বছর সময় দাও। আমরা একসঙ্গে একটি প্যানেল হয়ে কাজ করতে পারি। সময়টা দেখতে দেখতে কেটে যাবে।”
তার মতে, এই অনুরোধের পেছনে ছিল গভীর পারিবারিক আবেগ। তিনি বলেন, তার মা তাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। সেই ইচ্ছা পূরণের জন্যই তিনি নির্বাচনে দাঁড়ান।
আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমার মা দুই বছর বাঁচবেন কি না, সেটা আল্লাহই জানেন। তাই তার ইচ্ছা পূরণ করাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল।”
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর অনেকেই তাকে আইনি পথে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও তিনি সেই পথে হাঁটেননি। এ প্রসঙ্গে মুক্তি বলেন, “অনেকে বলেছেন মামলা করতে, রিট করতে। কিন্তু আমি তা করিনি। আমরা মামলা-মোকদ্দমা করা পরিবার থেকে আসিনি।”
তিনি আরও যোগ করেন, শিল্পী সমিতির একজন সদস্য হিসেবে তিনি সংগঠনের ভেতর থেকেই কাজ করতে চান। তার ভাষায়, “আমি তো সমিতির একজন সদস্য। আমি কাজ করতে চাইলে আমার মতো করেই কাজ করতে পারব।”
মুক্তির এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, তিনি দ্বন্দ্ব বা আইনি জটিলতার বাইরে থেকে সংগঠনের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তার এই অবস্থান চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।