শিরোনাম
◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ রাত
আপডেট : ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

চলচ্চিত্রের স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহকে বরাবরের মতো মার্কেট খোলা রাখার সময়সীমার আওতামুক্ত রাখার আবেদন

মনিরুল ইসলাম: সম্প্রতি সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত ৭টার পর মার্কেট বন্ধ রাখার যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, সংকট মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক গৃহীত এ পদক্ষেপের প্রতি আমরা সর্বাত্মক শ্রদ্ধাশীল। তবে এ সিদ্ধান্তের কারণে মার্কেটের অভ্যন্তরে থাকা সিনেমা হলগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে বর্তমানে মুক্তিপ্রাপ্ত ঈদের সিনেমাগুলো এবং সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্প অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে। 

রোববার রাতে ঈদ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর  ৭ প্রযোজক- পরিচালক সরকারের কাছে  এক বিবৃতিতে মার্কেট খোলা রাখার সময়সীমার আওতামুক্ত রাখা অনুরোধ জানান। বিবৃতিদাতারা হলেন শাহরিয়ার শাকিল, তানিম নূর, রেদওয়ান রনি,
সাকিব আর খান, রায়হান রাফি, শাহরিন আক্তার সুমি ও ⁠শিরিন সুলতানা।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এই বিষয়ে আমরা আমাদের উদ্বেগ এবং যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরছি:

১. শো-টাইম ও দর্শকের চাহিদা
ঈদের সিনেমা মানেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপচে পড়া ভিড়। সিনেমা হলের জন্য সন্ধ্যা এবং রাত হচ্ছে 'প্রাইম টাইম'। কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক এই সময়েই সপরিবারে সিনেমা দেখতে আসেন। সন্ধ্যা ৭টায় হল বন্ধ করে দিলে এই বিশাল সংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন।

২. বিগত দিনের নিয়ম ও প্রেক্ষাপট
অতীতে আমরা দেখেছি, মার্কেট বা বিপণিবিতান নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলো সেই নিয়মের আওতামুক্ত থাকতো। সাধারণত রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত হলগুলো খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হতো। মার্কেটের নিরাপত্তা বজায় রেখেও সিনেমা হলের কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব, যা আগেও সফলভাবে হয়েছে।

৩. চলচ্চিত্র শিল্পের অর্থনৈতিক ঝুঁকি
একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। উৎসবের এই কয়েকদিনেই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য খুবই খারাপ হবে। 

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের পক্ষে আমাদের আবেদন:
সিনেমা হলকে মার্কেটের সাধারণ দোকানের আওতামুক্ত রেখে পূর্বের মতো মার্কেট বন্ধ থাকলেও সিনেমা হল চালু রাখার সুযোগ করে দিয়ে আমাদের বাধিত করবেন।
 
চলচ্চিত্র সবচেয়ে বড় বিনোদন মাধ্যম এবং সৃজনশীল শিল্প। বিগত কয়েকবছর ধরে দর্শক-শিল্পী-কলাকূশলীদের সহযোগিতায় শিল্পটি এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা দিতে এবং প্রযোজকদের বিনিয়োগ ফিরে পেতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও সহমর্মিতামূলক পদক্ষেপ কামনা করছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়