শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের অনুশীলনে ঘাসের মধ্যে বিষধর কপারহেড সাপ, আতঙ্কে জার্মান ফুটবল দল ◈ বড় বিনিয়োগে বদলাচ্ছে পতেঙ্গা টার্মিনাল, আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৬ বিকাল
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই বছর পর ওমরাহ করতে গিয়ে ছেলের সঙ্গে দেখা, আবেগে ভেঙে পড়লেন ওমর সানী

ঢালিউড অভিনেতা ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও স্ত্রী অভিনেত্রী মৌসুমী আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। একমাত্র কন্যা ফাইজাকে নিয়ে সেখানেই থিতু হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে এই তারকা দম্পতির ছেলে ফারদিন এহসান ব্যবসাসূত্রে থাকেন দুবাইয়ে।

দীর্ঘদিন বাবা-ছেলে একে অপরের থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে সৌদি আরবে দেখা হলো তাদের। দেশটির জেদ্দায় ব্যবসায়িক কাজে যান ফারদিন। কাকতালীয়ভাবে কিংবা পরিকল্পিতভাবে—সেখানেই উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ওমর সানী। দীর্ঘ দুই বছরের প্রতীক্ষার পর বাবা-ছেলের সাক্ষাৎ হয় এবং তারা একসঙ্গে ওমরাহ পালন করেন।

এই বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ওমর সানী। প্রকাশিত ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অভিনেতাকে। সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন দুই বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বাইরে। সে দুবাইতে কাজ করছে। জেদ্দায় ওর সঙ্গে দেখা হলো। লাভ ইউ বাবা। তোমার চোখের কান্না আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকিস বাবা। তুই যেন সবসময় সুখে-শান্তিতে থাকিস। আমার এই অনুভূতি বলে বোঝাতে পারব না।’  

বাবা-ছেলের এই অকৃত্রিম ভালোবাসার ভিডিও নেটিজেনদের আপ্লুত করেছে। দুই বছর পর তাদের এই দেখা এবং একসঙ্গে ইবাদত করাকে ঘিরে প্রশংসায় ভাসছেন তারা। সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চেয়ে অভিনেতা বলেন, ‘ওর জন্য দোয়া করবেন। ও ওমরাহ করতে এসেছে। আল্লাহ যেন তাকে সবসময় সুস্থ ও নিরাপদ রাখেন।’

সানী আরও বলেন, ‘ফারদিন ও আমার একটি ছবি ওর মা মৌসুমীকে পাঠিয়েছিলাম। আমাদের একসঙ্গে দেখে সে অঝোরে কান্না করেছে। আমাদেরকে সে খুব বেশি মিস করছে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়