শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন ◈ আর্জেন্টিনার বিরু‌দ্ধে ম‌্যাচ ভীষণ কঠিন হবে: অষ্ট্রিয়া কোচ ◈ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কড়া নজরদারি ◈ বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই: শিক্ষামন্ত্রী ◈ সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা নিয়ে যা বললেন ◈ মাসে কত টাকা পাবেন জুলাইযোদ্ধার, জানালেন মন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৯৪ বছর বয়সে মারা গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম

হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম আর নেই। শনিবার (৪ অক্টোবর) ৯৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী ছিলেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ভি শান্তরামের স্ত্রী।

বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের তথ্য-প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আশিস শেলার।

ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি! ‘পিঞ্জরা’ সিনেমার প্রসিদ্ধ অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরামজির প্রয়াণের খবর অত্যন্ত দুঃখজনক। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তাঁর অদ্বিতীয় অভিনয় ও নৃত্যশৈলী এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তাঁর ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘দো আঁখেন বারাহ হাত’ ও বিশেষ করে ‘পিঞ্জরা’ ছবির অভিনয় দর্শকদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঈশ্বর তাঁর আত্মার চিরশান্তি দান করুন।

‘মুম্বাই তাক’-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, সন্ধ্যা শান্তরামের মরদেহ প্যারেলের রাজকমল স্টুডিও থেকে নেওয়া হবে এবং শিবাজি পার্কের বৈকুণ্ঠধামে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

১৯৫১ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘ভূপালী’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন সন্ধ্যা শান্তরাম। এরপর ১৯৫৫ সালের মিউজিক্যাল ড্রামা ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’-তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর কথক নৃত্য এবং পর্দায় উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক স্মরণীয় ছবি—‘দো আঁখেন বারাহ হাত’, ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘নাভারং’, ‘সেহরা’ ও ‘পিঞ্জরা— যা আজও দর্শকদের মনে অমলিন। সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়