আমিনুল ইসলাম: [২] পোশাক রপ্তানির আড়ালে ১০ প্রতিষ্ঠানের ৩০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছে বিজিএমইএ। মঙ্গলবার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় বিজিএমইএ।
[৩] উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের ১০টি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান পোশাক রপ্তানির আড়ালে ৩ কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ১১৮ ডলার বা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ১০টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সাভারের প্রজ্ঞা ফ্যাশন লিমিটেড, গাজীপুরের পিক্সি নিট ওয়্যারস ও হংকং ফ্যাশনস লিমিটেড, ঢাকার ফ্যাশন ট্রেড, এম ডি এস ফ্যাশন, থ্রি স্টার ট্রেডিং, ফরচুন ফ্যাশন, অনুপম ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেড, স্টাইলজ বিডি লিমিটেড ও ইডেন স্টাইল টেক্স। এর মধ্যে বিজিএমইএর চারটি সদস্য প্রতিষ্ঠান হলো- ফ্যাশন ট্রেড, প্রজ্ঞা ফ্যাশন লিমিটেড, অনুপম ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেড ও হংকং ফ্যাশনস লিমিটেড। বিকেএমইএর দুইটি সদস্য প্রতিষ্ঠান হলো- পিক্সি নিট ওয়্যার ও ইডেন স্টাইল টেক্স।
[৪] মঙ্গলবারের বিজিএমইএ আয়োজিত সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তৈরি পোশাক রপ্তানির আড়ালে ঢাকা ও গাজীপুরের ১০টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিন কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৮ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। এ নিয়ে দেশের গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রচার হয়। এরপর প্রাথমিক সত্যতা পায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এই তথ্য মিথ্যা ও বানোয়াট, এর মাধ্যমে দেশকে ছোট করা হয়েছে এবং বায়ারের কাছে উদ্যোক্তাদের ছোট করা হয়েছে। এর পেছনে একটি চক্র কাজ করছে বলেও দাবি করা হয়।
[৫] বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্প যখন জাতীয় অর্থনীতি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে অবদান রেখে অদম্যভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং কেউ অমাদের আটকে রাখতে পারছে না... তখন আমরা গভীর বিস্ময়ের সঙ্গ দেখছি যে, সম্প্রতি কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। আর দেশের প্রধান দৈনিকগুলো বিভিন্ন শিরোনামে তা ছেপেছে। এ ধরনের চিঠি, প্রেস রিলিজ ও এ ধরনের মিডিয়া ক্যাম্পেইন আসলে কার স্বার্থে করা হয়েছে, এটা আমাদের কাছে একটি বড় প্রশ্ন। সম্পাদনা: এল আর বাদল
এআই/এলআরবি