শিরোনাম
◈ ভোটগ্রহণের দিনে দেশজুড়ে নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসির ◈ নির্বাচন উপলক্ষে তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল চলাচল ◈ নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষ আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের ◈ নির্বাচনের আগে-পরে যান চলাচলে কড়াকড়ি, যে নির্দেশনা দিল ইসি ◈ গণভোট ও নির্বাচন: সরকারের পাশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ ভাবটা এমন আওয়ামী লীগকে সরানো হয়েছে বিএনপিকেও তাড়ানো হবে, বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি : মির্জা আব্বাস  ◈ বিএনপি যদি ওতোই খারাপ হয়, তাদের ২জন কেন পদত্যাগ করে চলে আসেননি : তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আব্বাসের নির্দেশ তারেক রহমানের সম্মতিতে পাটওয়ারীর ওপর হামলা: নাহিদ ইসলাম (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওমানের সুখবর ◈ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীরা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে যাবেন না: ইসি

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৬:৩৮ বিকাল
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৬:৩৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা ধার নিল ইসলামী ৫ ব্যাংক

মনজুর এ আজিজ : বিশেষ তারল্য সুবিধার আওতায় ধার নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা ধার নিল ইসলামী ৫ ব্যাংক।  প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো অনেক আগে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার নিতে পারলেও ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর সে সুযোগ ছিল না। তবে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারের মাধ্যমে রেপোর আদলে ধার নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

সুকুক বন্ড সিকিউরিটি রেখে ১৪ দিন মেয়াদে ধার নিতে পারবে এসব ব্যাংক। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যাংকগুলোর তিন মাস মেয়াদি আমানতের সমান মুনাফা দিতে হবে।

দেশে বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ শরীয়াহভিত্তিক ১০টি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকগুলো হচ্ছে- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী, আল-আরাফাহ্ ইসলামী, আইসিবি ইসলামী, শাহ্জালাল ইসলামী, এক্সিম ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক। এর মধ্যে কয়েকটি ব্যাংক থেকে নানা অনিয়মের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বের করে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। এ অবস্থায় আমানতকারীদের অনেকে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ আমানত উত্তোলন করছেন। যে কারণে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধারের প্রয়োজন হচ্ছে।

প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য বিভিন্ন মেয়াদি বিল ও বন্ড রয়েছে। এর মধ্যে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি সরকারি বিল রয়েছে। আর ২, ৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদি বন্ড রয়েছে। সুদভিত্তিক হওয়ায় এসব বিল ও বন্ডে শরিয়াহভিত্তিক কোনো ব্যাংক অংশ নিতে পারে না। এ রকম পরিস্থিতিতে ২০২০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো সুকুক বন্ড প্রবর্তন হয়। সুকুক বন্ডের বিপরীতে বাজার থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি প্রচলিত ধারার ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ যে কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ বন্ড কেনার সুযোগ পেয়েছে।

এমএ/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়