শিরোনাম
◈ ৭০ বছর পেরোলেই পদ ছাড়তে হবে, পি‌টি উষাদের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার  ◈ ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ৮ জোন, থাকছে আলাদা রং ◈ এনসিটি ইজারায় বিনাপুঁজিতে লাভের পথে ডিপি ওয়ার্ল্ড ◈ কারাগারে বাড়ছে বন্দিমৃত্যু, পেছনে যেসব কারণ ◈ অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর ডব্লিউএইচও’র পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ ◈ শনিবার থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম ◈ গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত ◈ মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাডে ক্রিটিক্যাল ত্রুটি, ৪৬ পিলারে ফাটল ◈ ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস: রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ◈ একবার তথ্য দিলেই সরকারি সেবায় বারবার জমা দিতে হবে না, ‘ওয়ান্স-অনলি’ নীতি চালুর উদ্যোগ

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:৩৭ সকাল
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনসিটি ইজারায় বিনাপুঁজিতে লাভের পথে ডিপি ওয়ার্ল্ড

চট্টগ্রাম বন্দরের হৃৎপি- নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি)। এর পাশেই লাগোয়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। ঘেঁষে রয়েছে দেশের প্রধান জ্বালানি স্থাপনা। সামনেই জোয়ার-ভাটা নির্ভর বন্দরের জাহাজ চলাচলের চ্যানেল। জাহাজ ভিড়ানো, ঘোরানো এবং অবস্থানের ক্ষেত্রে আছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, সীমাবদ্ধতা ও সিডিউলের প্রশ্ন। এনসিটি’র এক কিলোমিটার দীর্ঘ জেটিবার্থে একসঙ্গে চারটি সমুদ্রগামী জাহাজে ভিড়তে পারে। এ ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে স্পর্শকাতর জায়গা দুবাইভিত্তিক বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে তীব্র বিতর্ক, প্রতিবাদী আন্দোলন, বিক্ষোভ-অসন্তোষ চলছে পরপর তিনটি সরকারের আমলে। পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে শেখ পরিবারকে বেছে বেছে এবং বিদেশি কোম্পানির আড়ালে আওয়ামী অলিগার্ক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেয়ার সর্বনাশা টার্গেটে পড়ে চট্টগ্রাম বন্দর। এনসিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল ও স্থাপনাগুলো বিদেশি একেকটি কোম্পানির সাথে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা চুক্তির ফর্মুলা সাজানো হয় আওয়ামী সরকার পতনের ঠিক আগেই ২০২৪ সালে। বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেয়া হলে কাড়ি কাড়ি ডলার আসার ‘লাভে’র টোপ ছিল পুরোটাই ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি!

এরপর বিগত অন্তর্বর্তীকালীন ড. ইউনূসের সরকার সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রীতিমতো উঠেপড়ে নামে। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী জোট, পেশাজীবি, রাজনৈতিক, নাগরিক মহলের প্রবল আন্দোলন, বিক্ষোভ-অসন্তোষের মুখে হাসিনা সরকারের মতো ড. ইউনূসের সরকারও সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের সচল ও ধারাবাহিক লাভজনক স্থাপনা বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার বিতর্কিত ইস্যুটি রহস্যজনকভাবে এখন পর্যন্ত বাতিল না হওয়ায় এটি নির্বাচিত বর্তমান সরকারের ঘাড়েই এসে পড়েছে। আর, এখন পর্যন্ত সেই বিতর্ক এবং ক্ষোভ-অসন্তোষ আন্দোলন জিইয়ে রেখেছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও স্বয়ং চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। যা নজিরবিহীন।

নিউমুরিং টার্মিনালের (এনসিটি) আধুনিকায়নে প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে ইনিয়ে-বিনিয়ে কথিত ব্যাপক ধরনের ‘লাভে’র টোপ ফেলে আশা দেখানো হচ্ছে বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে। অথচ উপরোল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের সীমাবদ্ধতা এবং এর স্পর্শকাতর দিকের কারণে এনসিটি আরো সম্প্রসারণ করার কিংবা বিদেশি বিনিয়োগের ন্যূনতম কোনো সুযোগই আর অবশিষ্ট নেই। ডিপি ওয়ার্ল্ড কোম্পানিও সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে পারেনি কথিত ২০৫ মিলিয়ন ডলার কোথায়, কোন কোন খাত বা উপখাতে তারা বিনিয়োগ করবে। বরং চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি এ মুহূর্তে অত্যাধুনিক ভারী ইকুইপমেন্ট (যান্ত্রিক সরঞ্জাম) ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে সুপার স্ট্রাকচার সমৃদ্ধ স্থাপনা। চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতিবছর মুনাফা বাবদ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত; এতে বন্দরের তথা রাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা। এনসিটিতে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি রয়েছে চাহিদার তুলনায় বেশি। এ অবস্থায় সেখানে ডিপি ওয়ার্ল্ড তথা বিদেশি কোনো কোম্পানির বিনিয়োগের লাভের টোপ মানে স্রেফ ভাঁওতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাস্তবে বিনাপুঁজিতে লাভের টার্গেট নিয়েই এগুচ্ছে বিদেশি দুবাই পোর্ট বা ডিপি ওয়ার্ল্ড কোম্পানি।

তাছাড়া এনসিটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার নামে বার্ষিক অন্তত ১১শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে পারবে বিদেশি কোম্পানিটি। কেননা এনসিটিতে প্রতি ইউনিট কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বাবদ ডিপি ওয়ার্ল্ড যে রয়্যালটি দিবে সেটি চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান আয়ের তুলনায় গড়ে ৩৬ থেকে ৪২ ডলার কম হবে। তদুপরি বর্তমানে স্টোরেজ রেন্ট বাবদ যে আয় বন্দর পাচ্ছে সেটিও হাতিয়ে নিবে বিদেশি কোম্পানি। সব মিলিয়ে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) বড়সড় আয় চলে যাবে বিদেশি কোম্পানির পকেটে। চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, লালদিয়ার চর টার্মিনাল, পানগাঁও টার্মিনাল ইতোমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা চুক্তিতে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এখন যদি চট্টগ্রাম বন্দরের চালু এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারায় ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম সেই মান্ধাতার আমলের বস্তা ওঠানামার ঘাটে পরিণত হবে। আন্তর্জাতিক বন্দরের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবে। চট্টগ্রামে শিল্প কারখানা, বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়বে। চট্টগ্রামও তার গুরুত্ব হারাবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের চালু এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্ন লাভজনক কন্টেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘ ৩০ বছর মেয়াদি কনসেশন ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তোড়জোড় চালাচ্ছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিউৎসাহী কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বয়ং চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। কিন্তু কনশেসন চুক্তিতে কোন কোন শর্ত থাকবে, বাংলাদেশের জন্য লাভালাভ কী তা এখন পর্যন্ত গোপন রেখেই চলছে যাবতীয় প্রস্তুতির তোড়জোড়। গত ১৭ নভেম্বর’২৫ ইং রাজধানী ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে ঝটিকা বেগে হওয়া চুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদে লালদিয়ার চর টার্মিনাল এবং পানগাঁও টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিগুলোকে ইজারায় ছেড়ে দেয়ার ক্ষেত্রেও গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়। এবার নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারায় ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও আগাগোড়া প্রক্রিয়া চলছে গোপনে।
এ প্রসঙ্গে একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম বলেছেন, কোন উদ্দেশ্যে কী চুক্তি করা হবে তা খোলাসা হওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা বা কনশেসন চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জেদাজেদির কিছু নেই। চুক্তির স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক সিবিএ সেক্রেটারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার বলেন, চুক্তির প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে গোপনে। জনগণকে কিছুই জানতে দেয়া হচ্ছে না। ঢাকায় বসে একের পর এক মিটিং করে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারায় ছেড়ে দেয়ার জন্য রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছেন। অথচ চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক এবং স্পর্শকাতর প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে সর্বস্তরের নাগরিক মহল ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি কিংবা অন্য কোন অংশ বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেয়ার পদক্ষেপ প্রতিহত করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিগত ২০১৭ সাল থেকে টানা প্রতিবছরই কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড অতিক্রম করছে। স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা বা হ্যান্ডলিং সক্ষমতা অনুযায়ী এনসিটি বার্ষিক ১১ লাখ ইউনিট কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারে। অথচ সর্বোচ্চ সক্ষমতার বিপরীতে গত অর্থবছরে এনসিটিতে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এনসিটিতে নতুন করে বিনিয়োগ কিংবা এর সম্প্রসারণের কোনো সুযোগ না থাকায় বাড়তি আরো কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে না। কেননা এনসিটির জেটি বার্থে চারটির চেয়ে অতিরিক্ত জাহাজ ভিড়ানো, বড়সড় আকারের জাহাজ ভিড়তে দেওয়া কিংবা জোয়ার-ভাটার সময় উপেক্ষা করে যথেচ্ছভাবে জাহাজ চলাচল টেকনিক্যাল কারণেই তা অলীক কল্পনাপ্রসূত, অবাস্তব এবং অসম্ভব।

বাস্তবতা হচ্ছে এনসিটি এ মুহূর্তে অত্যাধুনিক ভারী ইকুইপমেন্ট সমৃদ্ধ অবকাঠামো সজ্জিত হয়ে সর্বোচ্চসীমায় কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করছে। চট্টগ্রাম বন্দর এনসিটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান চিটাগং ড্রাই ডক লিমিটেড কর্তৃক পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং গতিশীলতা বৃদ্ধির কারণে বন্দর ব্যবহারকারী তথা স্টকহোল্ডারদের প্রশংসা অর্জন করছে। অদূর ভবিষ্যতে এনসিটির আইটি ভিত্তিক প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এবং শ্রমিক-কর্মীদের আন্তর্জাতিক মানে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা বাড়ানোর অবারিত সুযোগ খোলা রয়েছে।

কিন্তু তা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরের টাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে নির্মিত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও যান্ত্রিক সরঞ্জাম সজ্জিত এনসিটি বিদেশি কোম্পানিকে ইজারাদানে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার সিদ্ধান্তটি বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার কেন, কীসের মোহে ও যুক্তিতে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে এ নিয়ে বন্দর শিপিং সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ ঘোরপাক খাচ্ছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন-বিক্ষোভে ফুঁসে উঠে সমগ্র বন্দর ও রাজনৈতিক অঙ্গন। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে সরে আসতে বাধ্য হন ড. ইউনূস। এহেন তিক্ত অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও এবার নির্বাচিত সরকার আমলে নতুন মাত্রায় চলছে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা চুক্তির প্রক্রিয়া। যদিও সরকারের তথা নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বন্দর ইজারা চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো রকম ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে না। এতে করে সংশয়-সন্দেহ আরও দানা বেঁধে উঠেছে।

নিরবচ্ছিন্ন লাভজনক এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব টাকায় নির্মিত স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চিটাগং কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), ওভারফ্লো ইয়ার্ড দুবাই ভিত্তিক বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা চুক্তি প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বানে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় গত ৩১ আগস্ট রাজধানী ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বিশাল মশাল মিছিল বের করা হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-সিসিটি ইজারা : বাংলাদেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর রক্ষা কমিটির তিন দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন নগরীর বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল এবং সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র: ইনকিলাব 

  • সর্বশেষ