মনজুর এ আজিজ: বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। এতে তিতাস ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ সমস্যা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। আবহাওয়া অনুকূলে আসলে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। অন্যদিকে উত্তাল সাগরের কারণে কয়লা খালাসও বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এক সময়ে দেশীয় গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে দৈনিক ২৮০০ মিলিয়নের মতো গ্যাস উৎপাদিত হলেও এখন ১৬২৭ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। মজুত কমে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত কমে আসছে উৎপাদন।
ঘাটতি সামাল দিতে ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু করা হয়। এ জন্য দু’টি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১১’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। সাগর উত্তাল হলেই এলএনজি খালাস বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে প্রতিশ্রুত গ্রাহকের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৫৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। যার বিপরীতে আমদানিসহ কমবেশি ২৭০০ মিলিয়ন সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ এক-তৃতীয়াংশ কমে যাচ্ছে।