শিরোনাম
◈ জেরুজালেমে সরাসরি আঘাত হানল ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল (ভিডিও) ◈ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরান কোন পথে? ◈ বিশ্ব তেল বাজার অস্থির: দাম বেড়ে ১০ শতাংশ, সরবরাহ হুমকির মুখে ◈ দীর্ঘ বন্ধের পর খুলছে বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্য আলোচনার দ্বার ◈ ইরানের সরকারি রেডিও-টেলিভিশন ভবনে হামলা ◈ ভারতে পলাতক আ,লীগের সাবেক এমপি জোয়াহেরুলের মরদেহ বেনাপোল সীমান্তে হস্তান্তর ◈ ফোনে জোরে জোরে কথা বলা ও অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা: পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা ◈ ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান ট্রাম্প ◈ ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহত ◈ ইরানের হামলায় আমিরাতে বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত

প্রকাশিত : ০২ মার্চ, ২০২৬, ০২:৫৮ রাত
আপডেট : ০২ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ব তেল বাজার অস্থির: দাম বেড়ে ১০ শতাংশ, সরবরাহ হুমকির মুখে

বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮০ মার্কিন ডলারের আশেপাশে রয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) দাম বেড়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় তেলের দাম বাড়বে, বিষয়টি অনুমেয় ছিলো। এবার সেই অনুমান সত্যি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়াতে পারে।

গত বছরের জুলাইয়ের পর থেকে গত শুক্রবার তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিলো। দিনটিতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম গিয়ে ঠেকে ৭৩ ডলারে। তেলের বাজার নিয়ে ফিউচার ট্রেডিং এ সপ্তাহে কোনও কাজে আসবে না।

বৈশ্বিক পণ্য বাজারের তথ্য ও দামের পূর্বাভাস দেওয়া সংস্থা আইসিআইএস’র এনার্জি অ্যান্ড রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজেয় পারমার বলেন, “সামরিক হামলা তেমন প্রভাব না ফেললেও হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা তেলের বৈশ্বিক বাজারকে অস্থির করে তুলবে।”

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের পথ এই হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এ পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরানের হুমকির পর বেশিরভাগ ট্যাঙ্কার মালিক, বড় তেল কোম্পানি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন স্থগিত করেছে।

পারমার বলেন, “আশা করছি, সপ্তাহান্তে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি চলে যাবে। যদি হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে তাহলে দাম সেই স্তরও অতিক্রম করতে পারে।”

আরবিসির বিশ্লেষক হেলিমা ক্রফট বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ বা তারও বেশি হতে পারে বলে আগেই মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছিলো।”

এদিকে, তেলের উৎপাদন বাড়ানো ঘোষণা দিয়েছে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক প্লাস। রবিবার তারা জানায়, এপ্রিল থেকে দৈনিক দুই লাভ ছয় হাজার ব্যারেল তেল উত্তোলন করবে তারা। তবে, এটি খুবই সামান্য, যা বিশ্বব্যাপী চাহিদার মাত্র শূন্য দশমিক দুই শতাংশেরও কম।

Rystad Energy-এর অর্থনীতিবিদ জর্জ লিওন বলেছেন, “যদিও হরমুজ প্রণালী এড়াতে কিছু বিকল্প অবকাঠামো ব্যবহার করা যেতে পারে, তবুও এর বন্ধ থাকার ফলে মোটামুটি ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল দৈনিক কাঁচা তেলের সরবরাহ হারাবে, এমনকি কিছু প্রবাহ সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন এবং আবুধাবির পাইপলাইনের মাধ্যমে বিকল্প পথে পরিচালিত হলেও।”

স্বাধীন জ্বালানি গবেষণা এবং বিজনেস ইন্টেলিজেন্স ডেটা ফার্ম রাইস্টাড এনার্জির অর্থনীতিবিদ জর্জি লিয়ন বলেন, “হরমুজ প্রণালী এড়াতে কিছু বিকল্প অবকাঠামো ব্যবহার করা যেতে পারে। তবুও প্রণালীটি বন্ধ থাকার ফলে মোটামুটি ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল দৈনিক তেলের সরবরাহ কমবে।”

রাইস্টার্ডের অনুমান, অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে বাড়তে পারে ২০ ডলার করে। 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়