শিরোনাম
◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে? ◈ অন্তর্বর্তী অধ্যায়ের অবসান, দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার পেল দেশ ◈ নতুন সরকারের পর ড. ইউনূসের গন্তব্য কোথায়—বঙ্গভবন নাকি প্যারিস? ◈ প্রথমবার এমপি হয়েই তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিদায়, সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে ◈ তিনবারের সংসদ সদস্য এ্যানি প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন

প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ রাত
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ১৫ কোটি ডলার

দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক–এর মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম চুক্তিতে সই করেন। এই অর্থ পিকেএসএফের বাস্তবায়নাধীন অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার ও অগ্রগতি প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে। আজ সোমবার পিকেএসএফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০২২ সালে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল নিয়ে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়। এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের জুনে। নতুন অর্থায়ন যুক্ত হওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। বর্ধিত সময়ের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাংকের এই অতিরিক্ত অর্থের বাইরে বাকি অর্থ জোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো। ফলে ২০২২ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মোট বাজেট দাঁড়াচ্ছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।


প্রকল্পটির লক্ষ্য বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়বে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার লাখের বেশি মানুষ সরাসরি এবং কয়েকগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্ধিত অংশে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য অঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে বাড়িভিত্তিক শিশু যত্নকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় তরুণদের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ওস্তাদ–শাগরেদ পদ্ধতিতে হাতে-কলমে শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের নির্দিষ্ট পেশায় কাজের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে তারা নিজেদের উদ্যোগ বড় করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করতে পারছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়