শিরোনাম
◈ সৌদির রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করল বিমান, ২১ অক্টোবর থেকে চালু হতে পারে দাম্মাম রুট ◈ ‘সিন্ডিকেট হচ্ছে ভাই’, সার সংকটে দিশেহারা গাইবান্ধার চরের কৃষকরা ◈ মাদক আস্তানায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ‘ইশরাকের অ্যাকশন’, আটক ৬ (ভিডিও) ◈ হামের থাবায় বাংলাদেশ, টিকাদানের ঘাটতি নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা ◈ সুন্দরবনের জলজ প্রাণীর দেহে প্লাস্টিক, মাছ খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মানুষ ◈ দুই সপ্তাহের মধ্যে আজিমপুর কোয়ার্টার পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ সৌদিতে কূটনৈতিক তৎপরতায় শ্রীলঙ্কানের মৃত্যুদণ্ড বাতিল, দুই বাংলাদেশির বেলায় কী হলো? ◈ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি রাতে খেয়েছিলেন নুডলস ◈ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ ড্যাপের নতুন সংশোধনীতে বুড়িগঙ্গার তীরে ভারী শিল্পের অনুমোদন, বন্যাপ্রবাহ এলাকায় আবাসন প্রকল্পের সুযোগ

প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ রাত
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ১৫ কোটি ডলার

দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক–এর মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম চুক্তিতে সই করেন। এই অর্থ পিকেএসএফের বাস্তবায়নাধীন অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার ও অগ্রগতি প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে। আজ সোমবার পিকেএসএফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০২২ সালে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল নিয়ে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়। এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের জুনে। নতুন অর্থায়ন যুক্ত হওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। বর্ধিত সময়ের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাংকের এই অতিরিক্ত অর্থের বাইরে বাকি অর্থ জোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো। ফলে ২০২২ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মোট বাজেট দাঁড়াচ্ছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।


প্রকল্পটির লক্ষ্য বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়বে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার লাখের বেশি মানুষ সরাসরি এবং কয়েকগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্ধিত অংশে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য অঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে বাড়িভিত্তিক শিশু যত্নকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় তরুণদের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ওস্তাদ–শাগরেদ পদ্ধতিতে হাতে-কলমে শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের নির্দিষ্ট পেশায় কাজের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে তারা নিজেদের উদ্যোগ বড় করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করতে পারছেন।

 

  • সর্বশেষ