শিরোনাম
◈ দুই সপ্তাহের মধ্যে আজিমপুর কোয়ার্টার পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ সৌদিতে কূটনৈতিক তৎপরতায় শ্রীলঙ্কানের মৃত্যুদণ্ড বাতিল, দুই বাংলাদেশির বেলায় কী হলো? ◈ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি রাতে খেয়েছিলেন নুডলস ◈ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ ড্যাপের নতুন সংশোধনীতে বুড়িগঙ্গার তীরে ভারী শিল্পের অনুমোদন, বন্যাপ্রবাহ এলাকায় আবাসন প্রকল্পের সুযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে অবস্থান করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:০৯ বিকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর পদক্ষেপ: নাম-ছবি প্রকাশ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার দাবি

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ হ্রাস ও নগদ আদায় বাড়াতে ঋণ খেলাপিদের জনসম্মুখে লজ্জিত করার পাশাপাশি কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব জমা দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

এবিবির প্রস্তাবের মূল বিষয় হলো, খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নাম ও ছবিসহ তালিকা প্রকাশের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন চাওয়া।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে পাঠানো এক চিঠিতে এবিবির চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিন এই খাতের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নগদ অর্থ আদায়ের পরিস্থিতি উন্নতির লক্ষ্যে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

গত বছরের ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মোহাম্মদ কবির আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দেওয়া দিকনির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এসব প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

Advertisement

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ সর্বকালের সর্বোচ্চ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এটি বিতরণ করা মোট ১৮ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ।

জুনে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা এবং মার্চে ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। মূলত ঋণ শ্রেণিকরণের কঠোর নিয়ম এবং আগে লুকিয়ে রাখা 'খারাপ' ঋণগুলো হিসাবের আওতায় আনার ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এতটা বেড়েছে।

এবিবি খেলাপিদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞারও আহ্বান জানিয়েছে। তবে আদালত বা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে স্পষ্ট অনুমতি থাকলে সেক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যেতে পারে।

এছাড়া ঋণ খেলাপিরা যাতে কোনো ব্যবসায়িক সমিতি বা সংগঠনের নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, তা আইনগতভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একইসঙ্গে আদালত বা ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা এবং যেকোনো ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণে অনুপযোগী ঘোষণার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। 

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবিবির এই পদক্ষেপকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, 'নব্বইয়ের দশকে আমরা বিদেশি ব্যাংক এবং এমনকি সংসদেও খেলাপিদের নাম প্রকাশ করতে দেখেছি। এটি একটি যৌক্তিক এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।'

ঋণ খেলাপিরা কীভাবে এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকেন—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, 'যারা ঋণ খেলাপি, তারা কীভাবে অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বা নীতিনির্ধারণী সেমিনারে যোগ দিতে পারেন? রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মসূচি থেকে তাদের বাদ দেওয়া উচিত। আমাদের এটিকে আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবেও মোকাবিলা করতে হবে।' উৎস: বিজনেস স্ট্যান্ডাড

 

  • সর্বশেষ