শিরোনাম
◈ শহরে নয়, এবার গ্রামমুখী হতে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, সরগরম এফডিসি ◈ সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে বছরে নতুন ক্যান্সার রোগী প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার, ৪৮৫টি এক্স-রে ও ৩৯৫টি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো ◈ ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত 'জরুরি প্রয়োজনে' কংগ্রেসের কাছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  ◈ রাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ ‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’ : অর্থমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানের চীন সফরে বড় অগ্রগতি, সই হলো ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক ◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ ◈ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাইপাইল মৎস্য আড়তে ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি, কেজিতে দাম কমেছে ১ হাজার টাকা

ঢাকা জেলার সবচেয়ে বড় আশুলিয়ার বাইপাইল পাইকারি মৎস্য আড়তে কমেছে প্রায় সব ধরনের মাছের দাম। সবচেয়ে বেশি দাম কমেছে ইলিশের।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে সরজমিনে আড়ত ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে জমে উঠেছে মাছের বেচাকেনা। কেজি প্রতি মাছের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কমেছে।

বাইপাইল পাইকারি মৎস্য আড়তে মূলত দেশের বিভিন্ন জেলার নদী ও পুকুরের চাষ হওয়া মাছসহ সামুদ্রিক মাছও পাওয়া যায়। এছাড়া বার্মিজ রুই মাছও বাজারে আসে। আকার ও প্রকারভেদে দাম কিছুটা ওঠানামা করলেও সামগ্রিকভাবে মাছের দাম কমে যাওয়ায় খুশি ক্রেতারা।

বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা তেলাপিয়া ও চাষের পাঙ্গাস মাছের দাম কমেছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত সপ্তাহে বড় ইলিশের কেজি প্রতি দাম ছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা। আজ সেই দাম নেমে এসেছে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে মাছের সরবরাহ। এতে দাম কমছে।

বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি রুই ১৫০-১৮০ টাকা, কাতল ২২০-৩৫০ টাকা, সিলভার কার্প ৮০-১২০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-১৮০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০-১৭০ টাকা, মৃগেল ১৮০-২০০ টাকা, চিতল ৫০০-৮০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ টাকা, বাঠা ২০০-২২৫ টাকা, টাকি ২৩০ টাকা, শোল ৪০০-৭০০ টাকা, হরিনা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০-৭০০ টাকা, মলা ১৫০-২০০ টাকা, পাবদা ২৮০-৩০০ টাকা, টেংরা ৩০০-৩৫০ টাকা, ফলি ২০০-২৫০ টাকা ও তেলাপিয়া ১৩০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশি পুঁটি ২২০ টাকা, বড় সরপুটি ১২০-১৩০ টাকা, বাইম ৫০০-৮০০ টাকা, শিং ২০০-২৫০ টাকা, কই ১২০-১৩০ টাকা, মাগুর ১১০-১২০ টাকা, গোলসা ২৮০-৩০০ টাকা, আইড় ১০০০-১৩০০ টাকা, খলিশা ২০০-৩০০ টাকা, কালি বাউশ ২৮০-৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৮০০ -১২০০ টাকা, সুরমা ২০০-২৩০ টাকা, টুনা ১৫০-৩৫০ টাকা, কোরাল ৭০০-৮০০ টাকা, লইট্টা ২৫০-২৮০ টাকা ও তুলার ডাঁটি ২২০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
 
ঢাকার এই বৃহত্তর পাইকারি মৎস্য আড়তে প্রতিদিন কোটি টাকারও বেশি মাছ বেচাকেনা হয়।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়