শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:২২ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৫ দুর্বল ইসলামী ব্যাংক: আমানতকারীরা যেভাবে টাকা ফেরত পাবেন

পাঁচটি দুর্বল শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক—ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন, এক্সিম ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক—এর বোর্ড বাতিল করা হয়েছে। তবে দৈনন্দিন গ্রাহকসেবা ও লেনদেন কার্যক্রম (পেমেন্ট, রেমিট্যান্স, এলসি ইত্যাদি) স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করে একটি নতুন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক গঠন করা হচ্ছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষিত রাখা এবং ধাপে ধাপে ফেরত নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বুধবার (৫ নভেম্বর) জানিয়েছেন, ব্যাংক একীভূতকরণের ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মূল্য এখন শূন্যের নিচে বা 'নেগেটিভ ইকুইটি' অবস্থায় চলে গেছে। ফলে তাদের শেয়ারগুলোর বাজারমূল্য শূন্য ধরা হবে এবং কাউকে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না।

যেসব আমানতকারীর জমা ২ লাখ টাকা বা তার কম, তারা প্রথম ধাপে সম্পূর্ণ অর্থ একবারেই তুলে নিতে পারবেন। এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘আমানত সুরক্ষা তহবিল’ থেকে প্রদান করা হবে। ব্যাংকে প্রশাসক নিয়োগের পরপরই এই ফেরত প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অন্যদিকে যাদের আমানতের পরিমাণ ২ লাখ টাকার বেশি, তাদের বাকি অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে। এই ফেরতের সময়সীমা ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। চূড়ান্ত সময়সীমা বাংলাদেশ ব্যাংক ও নতুন প্রশাসন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

গভর্নর জানিয়েছেন, চলতি নভেম্বর মাস থেকেই আমানতকারীরা অর্থ তোলা শুরু করতে পারবেন। তারা নিজ নিজ ব্যাংক শাখার মাধ্যমে অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিযুক্ত প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক নিশ্চিত করেছে যে, আমানতকারীদের অর্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত, তাই দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক নিবিড়ভাবে তদারকি করবে।

  • সর্বশেষ