শিরোনাম
◈ নবনিযুক্ত সেনা প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ◈ বেগম খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে  ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা ও বাজেটে বরাদ্দ কমানো স্ববিরোধী: সিপিডি ◈ সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, খুলছে পর্যটন কেন্দ্র ◈ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের চিঠি স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি হুমকি: বিজেসি  ◈ দেশের প্রতিটি অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী ◈ এনবিআর সদস্য মতিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে দুদক ◈ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ◈ বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন রিজভী 

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৪, ০৭:৪৯ বিকাল
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৪, ০৭:৪৯ বিকাল

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

আগামী বছর গ্যাস পাবে রংপুরবাসী

মনজুর এ আজিজ: [২] ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রংপুর ও নীলফামারীতে শিল্পে গ্যাস সংযোগ প্রদানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল)। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে রংপুরে গ্যাস সঞ্চালন পাইপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে মিটারিং স্টেশনের কাজ। অন্যদিকে বিতরণ পাইপলাইন স্থাপনের কাজ মাত্র ৩৫ কিলোমিটার শেষ হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শেষ করে জুলাই থেকে গ্যাস সংযোগ নিতে পারবে স্থানীয় শিল্প কারখানা।

[৩] আবাসিকে গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ থাকায় বিদ্যমান নীতিমালায় আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কোনও সুযোগ থাকছে না। আপাতত উত্তরের জনপদে শুধু শিল্প ও বাণিজ্যিকে সংযোগ দেওয়া হবে। পরে সরকার সিদ্ধান্ত নিলে হয়ত আবাসিকে সংযোগ হতে পারে।

[৪] জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বহুল কাক্সিক্ষত উত্তরের গ্যাস সরবরাহের জন্য পৃথক দু’টি প্রকল্প নেওয়া হয়। একটি হচ্ছে ১৫০ কিলোমিটার বগুড়া-রংপুর-সৈয়দপুর সঞ্চালন পাইপ। ওই প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। করোনাসহ নানা কারণে ৩ দফায় সময় পেছানো হয়। অবশেষে গত বছরের ১৪ নভেম্বর ভার্চুয়ালি গ্যাস সরবরাহের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

[৫] রংপুরবাসীর স্বপ্নের এই সঞ্চালন পাইপ লাইনের পাশপাশি বিতরণের জন্য পৃথক একটি প্রকল্প নেয় পিজিসিএল। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ১০০ কিলোমিটার বিতরণ লাইন। এরমধ্যে রংপুর শহরে ৪৪ কিলোমিটার, পীরগঞ্জে ১০ কিলোমিটার এবং নীলফামারী ও উত্তরা ইপিজেড এলাকায় ৪৬ কিলোমিটার।

[৬] স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করেন, গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই তারা রংপুর অঞ্চলে শিল্প কারখানা স্থাপনে সাহস দেখাননি। এতে বিশাল অর্থনৈতিক বৈষম্য তৈরি হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ পেলে রংপুর অঞ্চলেও শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। এতে রাজধানীর ওপর চাপ কমে আসবে। 

[৭] তবে পাইপ লাইন হলেই সংকট পুরোপুরি কাটছে না উত্তর জনপদের। কারণ সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া অঞ্চলে তেমন গ্যাসের চাপ পাওয়া যায় না। আরও ১৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তরা ইপিজেডে গ্যাস পাওয়া নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবে আশার কথা, সরকার ২০২৬ সাল থেকে নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের লক্ষে কাজ করেছে।

[৮] এ প্রসঙ্গে পিজিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং রংপুর, নীলফামারী, পীরগঞ্জ শহর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গ্যাস বিতরণ পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফজলুল করিম বলেন, ইতোমধ্যে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬০ শতাংশ, আর আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৪৮ শতাংশ। পাইপলাইনের কাজ ও সিভিল ওয়ার্ক দ্রুত এগিয়ে চলছে। সে হিসেবে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যেই গ্যাস সংযোগ প্রদানের জন্য আমরা প্রস্তুত। 

[৯] সঞ্চালন পাইপলাইনের দায়িত্বে থাকা গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ গণমাধ্যমকে জানান, তাদের পাইপলাইনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলেছে মিটারিং স্টেশনের নির্মাণ কাজ। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এ কাজ শেষ হলে জানুয়ারি থেকেই গ্যাস সরবরাহের জন্য আমরা প্রস্তুত থাকবো। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এমএএ/এসসি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়