শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে বাংলাদেশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ◈ বন্যায় নিহতদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশ-নেপাল ‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি সিরিজ আগামী মা‌র্চে ◈ দরপত্রের শর্ত শিথিল, সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি কিনবে সরকার ◈ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত দুই দফায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে: জয়সওয়াল ◈ ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, প্রকাশ্যে এলো ছবি ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাড়ছে আরেকটি ট্রেন, যেখানে যেখানে থামবে ◈ স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামী বললেন—‘আমি আজ থেকে মুক্ত’ ◈ সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৮২ জন নিহত ◈ ৫৬০ কিলোমিটার দূরত্ব কমিয়ে যেভাবে বাণিজ্য বদলে দেবে চীনের নতুন জলপথ ◈ একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ, ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল

প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ০৫:২১ বিকাল
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ০৫:২১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হোমনায় হত্যা মামলার ১৭ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন 

হোমনায় হত্যা মামলার ১৭ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন 

শাহজাজাদা এমরান, কুমিল্লা : কুমিল্লার হোমনায় জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা মামলার ১৭বছর পর কুমিল্লার আদালতে তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

রোববার  কুমিল্লার  অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৪ এর বিচারক বেগম সেলিনা আক্তার এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. মুজিবুর রহমান বাহার ও সহযোগী এডভোকেট আবু ইউসুফ। 

মামলায় সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার জগন্নাথকান্দি ইউনিয়নের মঙ্গল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৩৭), মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে কাজল (৪৭) ও মো. কাশেমের ছেলে হানিফ(৪৩)। রায় ঘোষণার  সময় হানিফ পলাতক থাকলেও জাকির ও কাজল উপস্থিত ছিলেন। 

জানা গেছে, ২০০৫ সালের কুমিল্লার হোমনা উপজেলার আবদুল হামিদের ছেলে মনির হোসেন (২১) চুল কাটতে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যা নাগাদ বাড়ি  না ফিরলে খোঁজাখুজি করে স্বজনরা। নিখোঁজের পর কাঠালিয়া নদীতে তার লাশ পায় স্থানীয়রা। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় জড়িত অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বাবা আবদুল হামিদ। ২০০৬ সালে থানা পুলিশ মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে চার্জশিট দেয়। পরে তারা স্বীকার করে জায়গা সম্পত্তির বিরোধে মনিরকে তারা হত্যা করেছে। পরে আদালত রবিবার (২৭ নভেম্বর) যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেয়। 

মামলার রাষ্টপক্ষের অতিরিক্ত পিপি আইনজীবী মো. মুজিবুর রহমান বাহার বলেন, ঘটনার ১৭ বছর পর এই রায় হয়েছে। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। 

প্রতিনিধি/জেএ

 

  • সর্বশেষ