শিরোনাম
◈ জ্বালানি মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, দেশজুড়ে উদ্ধার ২ লাখ লিটার তেল ◈ সাবেক সিএমপি কমিশনার জলিল গ্রেপ্তার ◈ রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার ◈ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা  ◈ পুলিশ সদস্যদের হতাহতের ঘটনাকে ‘যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  ◈ ট্যাগ অফিসার,তেল মজুত ধরতে পুরস্কার- কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থাপনা কতটা হচ্ছে ◈ মব কালচার আর অ্যালাউ করা হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ৯ এপ্রিল বগুড়া-শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনার বিষয় জানা যায়নি  ◈ উত্তর ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেল শোধনাগারে ধোঁয়া উড়ছে

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২২, ০৬:৪৭ বিকাল
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২২, ০৬:৪৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রামের পর গ্রাম ঘুড়লেও দেখা মিলছে না শাপলার 

শাপলা

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : মাত্র কয়েক বছর আগেও পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিভিন্ন এলাকার খাল-বিলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে হাজার হাজর শাপলা ফুল। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত সকলের। এখন গ্রামের পর গ্রাম ঘুড়লেও এর দেখা মিলছেনা। তবে পরিবেশবিধরা বলেছেন জমিতে অধিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করায় ও  জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে শাপলা ক্রমশই কমে যচ্ছে।

জানা গেছে, খাল,বিল ও জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবেই জন্মাতো এগুলো। শাপলার বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে। এরমধ্যে লাল ও সাদা রংয়ের শাপলার পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ থাকায় খাদ্য উপকরণ হিসেবে দেশব্যাপী প্রচুর চাহিদা রয়েছে। একসময় এলাকার মানুষ এর ফল দিয়ে সুস্বাদু খৈ ভাজতো। তবে লাল রংয়ের শাপলা ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকায়  চুলকানী ও রক্ত আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

এলাকার বয়স্করা জানান, সাদা ফুল বিশিষ্ট শাপলা সবজি হিসেবে ও লাল রঙের শাপলা ওষুধিগুণে সমৃদ্ধ বলে পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে মানুষের প্রয়োজনে আবাদি জমি ভরাট করে বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের বানানোর ফলে প্রাকৃতিকভাবে শাপলা জন্মানোর জায়গাও কমে গেছে। 

স্থানীয় শিক্ষক মুজিবুর রহমান জানান, বেশ কয়েক রংয়ের শাপলা রয়েছে। এর মধ্যে লাল ও সাদা ফুল বিশিষ্ট শাপলা সবজি হিসেবে ভোজন রসিকরা খায়। বর্তমানে খাল-বিল ও জলাশয় ভরাটের কারণে শাপলা কমে গেছে।

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ওয়াল্ড কনসার্ন কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস জানান, জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষাবাদের কারণে অধিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাল-বিল ও জলাশয় ভরাটের কারণে শাপলা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার এ আর সাইফুল্লাহ সংবাদিকদের জানান, খাল-বিল ও আবদ্ধ জলাশয়গুলো দিন দিন শুকিয়ে যাওয়াসহ পানিতে লবনাক্ততার পরিমান বৃদ্ধির কারনে শাপলার বংশ বিস্তার দিন দিন কমে যাচ্ছে।  

প্রতিনিধি/জেএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়