শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:১৭ রাত
আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'শাসন' করায় শিক্ষককে পেটাল শিক্ষার্থী!

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট: ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষার্থীকে 'শাসন' করেছিলেন শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিক। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে অনুসারীদের নিয়ে তাকে পিটিয়ে আহত করেছে শিক্ষার্থী ফারদিন হোসেন। ঢাকা পোস্ট

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাগরকন্দী রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। 

আহত শিক্ষক সিদ্দিককে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ওই বিদ্যালয়ের জৈষ্ঠ শিক্ষক। আর ফারদিন একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। সে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে নবম শ্রেণির ছাত্র ফারদিনসহ তার অনুসারীরা বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়ে শিক্ষক সিদ্দিক প্রতিবাদ করেন এবং তাদের ধমক দিয়ে 'শাসন' করেন, যাতে তারা এমন কাজ না করে।

তিনি বলেন, কিন্তু এতে ফারদিন শিক্ষক সিদ্দিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এরই জের ধরে এদিন সকাল ১০টার দিকে শিক্ষক বিদ্যালয়ে এলে ফারদিনসহ তার অনুসারীরা তাকে বিদ্যালয় চত্বরে লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে আহত করেন। 

এ ব্যাপারে আমিনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক সিদ্দিক।

তিনি বলেন, একজন ছাত্র বেয়াদবি করবে, স্কুলের মেয়েদের উত্ত্যক্ত করবে। আর তাকে ধমক দেয়া, শাসন করা কি আমার অপরাধ। এজন্য ছাত্র হয়ে শিক্ষকের গায়ে হাত তুলবে? এটা মেনে নেয়া যায় না। অভিভাবকরা কী সন্তানদের শাসন করা, আদব-কায়দা শেখানো ভুলে গেছেন।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সেসব ছাত্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ফারদিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ