শিরোনাম
◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা ◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৩ বিকাল
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেসব বিষয়ে আলোচনা করার অধিকার নেই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের

৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে দুজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী এবং একজন টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন। তারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন বরং পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে। আর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে আমিনুল হককে।

সংবিধান অনুযায়ী টেকনোক্র্যাট বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হননি, কিন্তু সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য এবং বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রিসভায় নিয়োগ পান।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। তবে শর্ত হলো—মোট মন্ত্রীর কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে এবং সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নেওয়া যাবে। এই অংশটিই টেকনোক্র্যাট কোটার ভিত্তি।

সংসদে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে সংবিধানের ৭৩ক অনুচ্ছেদে। এতে বলা আছে, কোনো মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে বক্তব্য দিতে এবং কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। তবে তিনি ভোট দিতে পারবেন না।

এছাড়া টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের জন্য আরও একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে—তারা কেবল নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারবেন। অন্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তাদের নেই।

ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য হলেও সংসদীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং সব বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়