কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নদীপথে দেশের বাইরে সিমেন্ট পাচারের প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় একটি কার্গো ট্রাক, একটি পিকআপ ও ৩৪ ব্যাগ ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কর্ণফুলী থানার চরলক্ষ্যা এলাকার মো. আলী (২৭) এবং পটিয়া থানার চাপড়ী এলাকার তফজল আলী সোহেল (৩৭)।
বাঁশখালী থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌধুরীঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাংলাদেশি সিমেন্ট ট্রাকে করে ঘটনাস্থলে এনে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে নদীপথে পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের দাবি। অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে একটি ওপেন কার্গো ট্রাক, একটি সিঙ্গেল কেবিন পিকআপ ও ৩৪ ব্যাগ ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে বাঁশখালী থানায় মামলা করা হয়েছে। এতে দ্য স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ২৫(বি)/২৫(ডি) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে সম্প্রতি সময়ে বাঁশখালীর উপকুলীয় সাগরের ছনুয়া, গন্ডামারা,খানখানাবাদ ও বাহারছড়া পয়েন্টে একটি চক্র সার পাচারে নানা ভাবে জড়িয়ে পড়ছে। খানখানাবাদে দুজন আটক করা গেলে ও ছনুয়াতে সার পাচারের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হকের নেতৃত্বে বুধবার রাতে এক অভিযান পরিচালনা করে। এসময় এক গাড়ি সার আটক করলেও কাউকে পায়নি বলে থানা সুত্রে জানা যায়।
বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. আরিফ হোসেনসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। ওসি রবিউল হক বলেন, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।