শিরোনাম
◈ যানজট কমাতে গাবতলী-মহাখালী-সায়েদাবাদ-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: সড়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতি: সংঘর্ষ নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর ঘিরে দিল্লিতে ‘অভ্যন্তরীণ বিরোধের’ ইঙ্গিত ◈ খেলার নিয়ম বদলে গেছে, পাল্টা প্রতিক্রিয়ার যুগ শেষ: ইরা‌নের পার্লা‌মে‌ন্টে স্পিকার ◈ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৫৮ ◈ রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী ◈ এয়ারবাসের প্রস্তাব ‘অবিশ্বাস্য প্রতিযোগিতামূলক’: ইইউ রাষ্ট্রদূত ◈ দিল্লিতে বহুতল ভবন ধস, ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ আর্তনাদে ভারী ঘটনাস্থল ◈ শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁধ তৈরি করে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার

আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে বাঁধ তৈরি করে কতিপয় অসাধু মৎস্য শিকারীরা নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করছেন। নদীর পানিপ্রবাহ বন্ধ করে মাছ ধরার কারনে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে। দ্রুত এই অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করে মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে দেখা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রাম ও চাঁপাপুর ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগর নদীর তিন থেকে পারটি জায়গায় বাঁশ দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য। এ ছাড়া ওই নদীতে চায়না দুয়ারি জাল, সুতিজাল, কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধে চলছে মৎস্য শিকার। এসব জালের ফাঁদে ধরা পড়ছে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এতে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ধ্বংস করছে। এসময় মাছ শিকারীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়রা জানায়, কিছু অসাধু ব্যক্তিরা নাগর নদীতে বাঁশের বেড়া বা বানা দিয়ে পানিরপ্রবাহ বাঁধার সৃষ্টি করে তারা নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবৈধভাবে রেনু পোনাসহ প্রতিদিন ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করছে। এতে করে নদীতে মাছের প্রজনন ক্ষেত্রেও চরমভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদ হোসেন জানান, নদীর মুক্ত পানিপ্রবাহ বন্ধ করা ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করা বেআইনি। মাছ শিকারীদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরও যদি তারা এগুলো উঠিয়ে না নেয় তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সর্বশেষ