শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী ◈ বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৩৮ সকাল
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যাংকের সার্ভারে ত্রুটির কথা বলে ৪৮ গ্রাহকের ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ

লক্ষ্মীপুরে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৪৮ গ্রাহকের এক কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এ ঘটনায় মূল আসামি মো. নাছির উদ্দিন ওরফে খোকনকে প্রায় এক বছর আগে গ্রেপ্তার করা হলেও গতকাল শনিবার তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আজ রোববার বিকেলে পিবিআইর নোয়াখালী কার্যালয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়, গতকাল লক্ষ্মীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দায়িত্বপ্রাপ্ত) তাসলিমা ইসলামের আদালতে  ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন মো. নাছির উদ্দিন। তিনি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে।

Advertisement

পিবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে, ২০১৯ সাল থেকে জেলার মিরিকপুর শাখার একটি আউটলেটের দায়িত্বে ছিলেন নাছির। সেসময় ব্যাংক টেলার মো. শহিদুল্লাহ ওরফে জিয়াসহ আরও কয়েকজনের যোগ সাজসে গ্রাহকদের টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ব্যাংকের সার্ভারে ত্রুটির কথা বলে গ্রাহকদের ভুয়া ও হাতে লেখা জমা রশিদ দিতেন তারা। এভাবে মোট ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করেন। গ্রাহকরা টাকা উত্তোলন বা হিসাব হালনাগাদ করতে গেলে বিষয়টি সামনে আসে। পরে আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।

এ ঘটনায় গত বছর ১ জুলাই লক্ষ্মীপুর সদর থানার একটি মামলা করা হয়। ওই বছরই ৩ আগস্ট নাছিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হলে লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে পিবিআইকে দায়িত্ব দেন।

পিবিআইয়ের এসআই মো. কামাল আব্বাস আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এসব তথ্য বের হয়ে আসে।

পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে অর্থ আত্মসাতের বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে এসেছে।’

ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

  • সর্বশেষ