শিরোনাম
◈ ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জে এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প চালুর নির্দেশ ◈ দেশে ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে ◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী ◈ বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৪৬ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুরে পিতাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

মিজান লিটন : চাঁদপুরে মাদক কেনার টাকা না দেয়ায় ‘দা’ দিয়ে পিতা মো. মুছাব্বর গাজীকে (৬০) মাথায় কুপিয়ে হত্যার দায়ে ছেলে মো. হোসেন গাজীকে (৩৮) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী হোসেন গাজী চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর ইচুলী গাজী বাড়ীর মৃত মুছাব্বর গাজীর ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, আসামী হোসেন গাজী মাদকসেবী। মাদকের টাকার জন্য সব সময় বাবার সাথে জগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়ে মারধর করত। মাদক সেবন থেকে বিরত রাখতে তাকে ঢাকায় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা করা হয়। তাতেও কোন কাজ হয়নি।

Advertisement

ঘটনার দিন ২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ আসামী হোসেন গাজী তার পিতাকে ঘরে শয়ন অবস্থায় ধারালো ‘দা’ দিয়ে মাথায় দুটি কোপ মারে। এতে তিনি মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি শয্যা থেকে উঠলে আবারো কোপ দেয়, তখন হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে হাতের একটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষনিক পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে শহরের ওয়ারল্যাস বাজার এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ওইদিন চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিহত মুছাব্বর গাজীর বড় ছেলে মো. আলম গাজী (৪২) হত্যার ঘটনায় আপন ছোট ভাই হোসেন গাজীকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ আসামীকে গ্রেপ্তার করে ১৭ নভেম্বর আদালতে সোপর্দ করে।

মামলাটি তদন্ত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল ইসলাম। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কোহিনুর রশিদ বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। স্বাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামী তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আসামী পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শফিকুর রহমান ভূঁইয়া।

  • সর্বশেষ