শিরোনাম
◈ চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে চায় নেদারল্যান্ডস ◈ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা ◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২৯ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়?’ : প্রকল্প পরিচালককে মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলা খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্প তদন্তে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের কাজ বন্ধ থাকায় স্থানীয় মানুষ তাঁদের সীমাহীন দুর্ভোগের কথা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানান। সড়কের একপাশে স্লুইসগেটের ওপারে বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ দেখে কেডিএর কর্মকর্তাদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি।

বিষয়টির ভুল ব্যাখ্যা শুনে প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয় তোমার? তুমি এখান থেকে পানি বের হওয়ার রাস্তা তৈরি করেছ। পানি যাতে ঢুকতে না পারে সেজন্য স্লুইসগেট করেছ। আবার তার সামনে দিয়ে রেখেছ বাঁধ। এর মানেটা কী?’ 

সড়কের বিভিন্ন স্থান ও বাঁক দেখে এ সময় বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি।

কেডিএ থেকে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৭ মে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। শুরুতে প্রকল্প ব্যয় ছিল ৯৮ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ২১ জুলাই দ্বিতীয় দফা প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব একনেক সভায় উত্থাপন করা হয়। তখন দ্রুত কাজ শেষ করার শর্তে ২৫৯ কোটি টাকার দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

Advertisement

এরপর আরও ৬ বছর পর প্রকল্পের ব্যয় তৃতীয় দফা সংশোধন করে গত ৯ জুন একনেক সভায় উত্থাপন করা হয়। সভায় প্রকল্পটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৩ বছরেও সড়কটি কেন শেষ হয়নি, তা জানতে চেয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে সভা থেকে ফেরত পাঠানো হয় ২৮০ কোটি টাকার সংশোধনী প্রকল্পটি।

সভায় সড়কের কাজ শেষ না হওয়ার কারণ ও গাফিলতি খুঁজতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্য করা হয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরীকে। গতকাল শনিবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা সড়কটি ঘুরে দেখেন।

পরে সাংবাদিকদের মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ‘কেন সড়কটির কাজ এত দিনে শেষ হয়নি, এখন কী অবস্থায় রয়েছে এবং কাজের মান কেমন—তা আমরা দেখে গেলাম। দ্রুত যাতে কাজটি শেষ হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ 

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খুলনা সার্কিট হাউজে ‘শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন সভায় যোগদান করেন। সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, প্রকল্প পরিচালক মো. আরমান হোসেনসহ বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন ও কেডিএর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ