শিরোনাম
◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা ◈ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ঠিকাদারের হুমকি ‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’, জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন ‘আমিও ছাত্রদলের নেতা ছিলাম' ◈ বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে কেন ভারত ছাড়তে বলা হলো, যা বললেন বিজেপির কিরিট সোমাইয়া ◈ প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারে ০.৫% রিবেট দিচ্ছে সরকার, বিল সাশ্রয়ে যেসব সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা

প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও শুল্ক ফাঁকি: আরও দুই মামলায় ২৪ জন আসামি, এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার নেই

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : বেনাপোল স্থলবন্দরের শেড থেকে আমদানি পণ্য পাচার ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে আরও দুটি মামলা দায়ের করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। নতুন এ দুটি মামলায় বন্দর কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি ও আমদানিকারকসহ ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

এর আগে একই ঘটনায় ৬ কোটি টাকার আমদানি পণ্য পাচারের অভিযোগে আরও একটি মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছিল। ফলে এক সপ্তাহে দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় মোট ৪৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

কাস্টমস সূত্র জানায়, বন্দর থেকে পাচার হওয়া পণ্যের ঘটনায় প্রায় ৭ কোটি টাকার মালামাল পাচার এবং প্রায় ৩ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব পরিশোধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষকে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ভারতের একটি চালানে ‘ব্রেকিং পাউডার’ ঘোষণা দিয়ে প্রায় ৬ কোটি টাকার শাড়ি ও থ্রি-পিস আমদানি করে শাফা ইমপেক্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান। পণ্যগুলো বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে সংরক্ষণ করা হয়। পরে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান হুদা এন্টারপ্রাইজ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চালানটি পাচারের চেষ্টা করে। কাস্টমস চালানটি আটক করে বন্দরের হেফাজতে রাখলেও পরবর্তীতে শেড ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে তা বন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া বন্দরের ৪১ নম্বর শেড থেকেও ২৫ টন পণ্য পাচার ও বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

গত ১৪ জুন কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ও কাজী নাঈম উদ্দীন পৃথক দুটি মামলায় ২৪ জনকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেন। এর আগে ৯ জুন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহামুদুল আরেফিন আরও একটি মামলায় ১৯ জনকে আসামি করেন।

এদিকে কাস্টমসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে কাস্টমসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বন্দর।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, বন্দর থেকেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধের সাথে বন্দর,কাস্টমস বা ব্যবসায়ী কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। 

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, “বন্দরের শেড থেকে পণ্য পাচারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। যে কোন মুল্যে এধরনের অপরাধ দমন করা হবে। কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক রাশেদুজ্জামান বলেন, তিনটি মামলার আসামিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও বন্দর থেকে পণ্য পাচারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

বেনাপোল আমদানি,রফতানি সমিতির সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না গেলে এ ধরনের অপরাধ বন্ধ হবে না বলে মন্তব্য করেন।

  • সর্বশেষ