শিরোনাম
◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল! ◈ রশি ছিঁড়ে সাগরে পড়ে আহত চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, তদন্তে জাহাজের গাফিলতির অভিযোগ; বিদেশি জাহাজ আটক ◈ বাংলাদেশি হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস অমিত শাহের ◈ ফিফার শা‌স্তির পর আর্জেন্টিনাকে নি‌য়ে স্পেনের গণমাধ্যমে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার ◈ জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পেট্রাপোলে ◈ মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন, হলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ◈ সিলেটে তেলবাহী ট্যাংক লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৬, ০২:১৪ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে টানা ৮০ ঘণ্টা ধরে পুশইনের শিকার হয়ে সীমান্তের শূন্যরেখার পাটখেতে আটকে থাকা ১২ জনকে অবশেষে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনায় চারটি শিশু ও চারজন নারীসহ মোট ১২ জন রোদ-বৃষ্টি ও খাদ্য-পানির তীব্র সংকটে খোলা আকাশের নিচে টানা চার দিন আটকে ছিলেন।

গত শুক্রবার ভোরে বিএসএফের প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে তারা সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশের একটি পাটখেতে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে শিশু ও নারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পুরো এলাকায় মানবিক সংকট তৈরি হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই সময়ে খাবার, পানি ও আশ্রয়ের অভাবে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও সীমান্তে বিজিবি অনড় অবস্থান বজায় রাখে। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও নিরাপত্তা ও মানবিকতা-দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও সহায়তায় যুক্ত থাকেন। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বেলা ১১টার দিকে বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই ১২ জনকে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়। দীর্ঘ ৮০ ঘণ্টার অচলাবস্থার অবসানে সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে একই সঙ্গে মানবিক সংকট এড়াতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়