শিরোনাম
◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৬, ০২:১৪ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে টানা ৮০ ঘণ্টা ধরে পুশইনের শিকার হয়ে সীমান্তের শূন্যরেখার পাটখেতে আটকে থাকা ১২ জনকে অবশেষে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনায় চারটি শিশু ও চারজন নারীসহ মোট ১২ জন রোদ-বৃষ্টি ও খাদ্য-পানির তীব্র সংকটে খোলা আকাশের নিচে টানা চার দিন আটকে ছিলেন।

গত শুক্রবার ভোরে বিএসএফের প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে তারা সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশের একটি পাটখেতে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে শিশু ও নারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পুরো এলাকায় মানবিক সংকট তৈরি হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই সময়ে খাবার, পানি ও আশ্রয়ের অভাবে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও সীমান্তে বিজিবি অনড় অবস্থান বজায় রাখে। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও নিরাপত্তা ও মানবিকতা-দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও সহায়তায় যুক্ত থাকেন। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বেলা ১১টার দিকে বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই ১২ জনকে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়। দীর্ঘ ৮০ ঘণ্টার অচলাবস্থার অবসানে সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে একই সঙ্গে মানবিক সংকট এড়াতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ