শিরোনাম
◈ খাটের নিচে ছেলে, ছাদে স্ত্রী-মেয়ে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ৪ লাশ ◈ এআইয়ের কাছে কখনোই চাইবেন না এই ৫ পরামর্শ ◈ সকালের মধ্যে দেশের ৭ জেলায় ঝরতে পারে বৃষ্টি ◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার ◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল! ◈ রশি ছিঁড়ে সাগরে পড়ে আহত চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, তদন্তে জাহাজের গাফিলতির অভিযোগ; বিদেশি জাহাজ আটক

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০১:১২ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ধস

তীব্র গরমের কারণে দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদ। হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে সচল আছে মাত্র দুটি ইউনিট।

পানির অভাবে বাকি তিনটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। সচল থাকা দুটি ইউনিট থেকে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

তবে যথাসময়ে বৃষ্টিপাত না হলে চালু থাকা বাকি ইউনিট দুটিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যে কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে।

কাপ্তাই হ্রদে পানি ভরা থাকলে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (০৯ জুন) দুই নম্বর ইউনিট থেকে ৩৩ মেগাওয়াট এবং তিন নম্বর ইউনিট থেকে ২৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।

অর্থাৎ দুটি ইউনিট থেকে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

সূত্রটি আরও জানায়, বছরের এই সময়ে কাপ্তাই হ্রদে স্বাভাবিকভাবে ৭৮.০৮ মিন সি লেভেল (এমএসএল) পানি থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে হ্রদে পানির স্তর নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৩.৯৯ এমএসএলে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানি কমে যাওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি  ইউনিটের মধ্যে  তিনটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি দুটি সচল ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, কাপ্তাই হ্রদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি জেলা সদরের পাঁচটি উপজেলার (বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, বিলাইছড়ি, জুড়াছড়ি)  যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। হ্রদের পানি শুকিয়ে গেলে প্রতি বছর ওইসব উপজেলায় বসবাসরত বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা একদম ভেঙে পড়ে। ব্যবসা- বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়