শিরোনাম
◈ ‘বিয়ের ফাঁদে’ চীনে পাচার : ৫ বছরে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের স্বপ্ন পরিণত হয়েছে ‘অভিশপ্ত নরকে’ ◈ খাটের নিচে ছেলে, ছাদে স্ত্রী-মেয়ে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ৪ লাশ ◈ এআইয়ের কাছে কখনোই চাইবেন না এই ৫ পরামর্শ ◈ সকালের মধ্যে দেশের ৭ জেলায় ঝরতে পারে বৃষ্টি ◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার ◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল!

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এই হাসপাতালের দেয়ালে দেয়ালে দালাল , হাসপাতাল ডেভেলপ করতে গেলে আরো বিশ বছর লাগবে!

শেরপুর তপু সরকার, হারুনঃ বাঘা বাঘা রাজনৈতিক নেতা এলাকায় কাজ করে আসছি -দূর্ণিতী সব জায়গায় আছে, দূর্ণিতীর একটি সিস্টেম রয়েছে, সব জায়গায় সব কিছু হয় না। বলেন ডা. তাহেরাতুল আশরাফী ডা. তাহেরাতুল আশরাফী শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (RMO) হিসেবে গত ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন।

যোগদানের পর থেকে শেরপুরে তিনি নিজেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন না। এবং যোগদান করার আড়াই বছর হলেও এখনো তিনি তার বাড়ী টাঙ্গাইল থেকে অফিস করেন শেরপুরে। সাধারন মানুষের অভিযোগ আমরা নিয়মিত (আর এমও) স্যার কে না পাওয়াই-অনেকটাই নিরুপায়। নিজে অনিয়মিত অফিস করেন এবং এও বলেন (আরএমও)রোগী দেখলে অন্যকাজ গুলি কে করবে।

গত ৫মে মঙ্গলবার সকাল সারে ১১টায় ডাঃ তাহেরাতুল আশরাফী (RMO) শেরপুর তার সাথে কোন এক রোগীর সার্টিফিকেট বিষয়ে কথা বলতে গেলে –তিনি বিভিন্ন কথার মাঝ পথে এভাবেই আমাদের সামনে কথাগুলি তুলে ধরলেন। এই হাসপাতাল ডেভেলপ করতে গেলে আরো বিশ বছর লাগবে-আমি চিটাগাং ১১ বছর চাকুরী করে এসেছি, হাসান মাহমুদ, বলেন সাকাচৌধুরীর , এলাকা বলেন বাঘা বাঘা রাজনৈতিক নেতা এলাকা বলেন- ওবায়দুল কাদের এর নোয়াখালী রোহিঙ্গা তে সেখানেও আমি কাজ করে আসছি। দূর্ণিতী সব জায়গায় আছে, দূর্ণিতীর একটি সিস্টেম রয়েছে, সব জায়গায় সব কিছু হয় না। এখানে আমি পার্সোনালি ভাবে বলছি, এই হাসপাতালের দেয়ালে দেয়ালে দালাল ও যা কিছু অনিয়ম এগুলি কিভাবে ঠিক করবে আমি জানিনা।

আরেকটি বিষয় হলো (আর এমও) আসলে কিছুই নয়, সার্টিফিকেট সেকশন টি জাস্ট একটি সিন্ডিকেটের মধ্য পরে গেছে-আগের রাজনৈতিক দলের মত। (আর এমও) রোগী দেখেন না। (আরএমও) র”অনেক কাজ ,রোগী দেখবে কখন । রোগী দেখেন ইমারজেন্সির ডাঃ সাক্ষী দিবেন তিনিই (আর এমও নয় ) আরেকটি বিষয় বাংলাদেশের কোথাও ২৫০শয্যা হাসপাতালের পার্শ্বে এতো প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক নেই।সরকারী নিয়ম হচ্ছে সরকারী ২৫০শয্যা হাসপাতালের দুই থেকে তিন কিলোমিটার দুরে থাকবে প্রাইভেট হসপিটাল, এবং ক্লিনিক । শেরপুরে ২৫০শয্যা হাসপাতালে সাথে অগনিত প্রাইভেট হসপিটাল, এবং ক্লিনিক এগুলি কে দেখবে। তিনি মুখে সুন্দর নীতি বাক্য বলবেন –আবার শেরপুরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করবেন।

এ বিষয়ে শেরপুর ২৫০শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিঞা সাথে কথা হলে তিনি বলেন গত আড়াই বছর ধরে যোগদান করেই তিনি বদলির জন্য আবেদন করেছেন। তিনি অনেক ভালো মানের একজন ডা. এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্), ডিজিও (গাইনী এন্ড অবস্)তিনি গাইনি ও অবস (গর্ভকালীন ও প্রসূতি) অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসক। এতো ভালো মানের একজন ডাঃ এসেই চলে যেতে চাইলে আমার করার কি আছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়