শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ইরানে ফেলার পরিকল্পনা, কতটা ভয়ংকর এই বোমা? ◈ একদিনে যে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ পায়রা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের পথ সুগম, আন্ধারমানিক সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন ◈ সাগরে ভাসছে হাজার হাজার আইফোন ১৮! জেলেদের হাতে কোটি টাকার ‘ধন’ (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ তারেক রহমানের, থাকছে বিশেষ প্রটোকল ◈ সাফে জাতীয় দলের জার্সিতে রোনান সু‌লিভান, সরাসরি অভিষেকের অপেক্ষা ◈ নেত্রকোনায় দোকানে বসে থাকা সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা ◈ শাহ আমানত বিমানবন্দরে দফায় দফায় চুরি, অন্ধকারে পড়েছিল এক কিলোমিটার এলাকা ◈ আমদানিতে চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম ফের বাড়ছে, আন্তঃব্যাংকে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৫০ পয়সা ◈ অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে ইসরায়েলের বিশ্বজুড়ে নজরদারি, বাদ যায়নি পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও

প্রকাশিত : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ২০

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা জারি করেছে এবং টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (০২ জুন) সকালে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চন্ডীপর্দি গ্রামের বাসিন্দা বরকতের সাত মাস বয়সী ছেলে আয়ান। অপরজন ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার রাফসানের দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু দুজন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সোমবার তারা মারা যায়।

Advertisement

চিকিৎসকরা জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো চিকিৎসা ও টিকাদান না হলে শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শুরু থেকেই ফরিদপুর অঞ্চলে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হামের সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অভিভাবকদের অবশ্যই শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনতে হবে। টিকাই হামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা।”

তিনি আরও জানান, জেলার প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য পৃথক ইউনিট চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালেও বিশেষ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সিভিল সার্জন বলেন, “চলমান বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। আমরা আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমে আসবে।”

  • সর্বশেষ