শিরোনাম
◈ কথা শুন‌লেন না ইনফান্তিনো, ক্যারিবিয়ান যুব টুর্নামেন্টে উপ‌স্থিত হওয়ায় আরও গভীর হলো ফিফার দ্বন্দ্ব ◈ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা, সরকারের আকার বাড়লে ঝুঁকি আছে? ◈ ইউএস ও‌পে‌নে আলকারাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলবেন সেরিনা উইলিয়ামস, ঘোষণা আয়োজকদের ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের নির্বাচনে পাকিস্তান-সমর্থিত প্যানেলের দাপুটে জয় ◈ ফারাক্কার সব গেইট খুলে দিতে শুভেন্দুকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ◈ নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ ◈ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬, ০৬:৩৯ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরিষাবাড়ীতে কৃষকের ফসল পারাপারের কষ্ট লাঘবে কাঠের ব্রীজ নির্মাণ 

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ৫ গ্রামের কৃষকদের ফসল পারাপার ও জনদুর্ভোগ লাঘবে খালের উপর নিজ অর্থায়নে কাঠের ব্রীজ করে দিলেন পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি পলাশ মিয়া ফারুক। উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের গোবিন্দনগর গ্রামে এ ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে কৃষকদের দিয়েই এ ব্রীজটি উদ্বোধন করা হয়। 

স্থানীয় আব্দুল জলিল, সাইফুল ইসলাম, আয়নাল হকসহ একাধিক কৃষক জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের চকপাড়া, রুদ্র বয়ড়া, গোবিন্দনগর, বগারপাড় ও ডোয়াইল ইউনিয়নের হাসড়া মাজালিয়াসহ একাধিক গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত ফসল গোবিন্দনগর খালের উপর রাস্তা না থাকার কারনে দীর্ঘদিন ধরে পারাপারে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। অনেক সময় এই এলাকার কথা শুনলে বাজার দরের চেয়ে বেশি মুজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যেত না। এখানে ফসল পারাপার খুবই কষ্টসাধ্য হওয়ার কারনে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যায় না। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি পলাশ মিয়া ফারুক তাৎক্ষণিক নিজ উদ্যোগে কৃষকদের কষ্ট লাঘবে খালের উপর নির্মাণ করে দেন একটি কাঠের ব্রীজ। এখন কৃষকদের উৎপাদিত ফসল কোন প্রকার ঝামেলা ও কষ্ট ছাড়াই পারাপার করা যাবে। 

এ বিষয়ে পলাশ মিয়া ফারুক বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে আমাদের দেশের কৃষকদের সম্মান দেয়া উচিত। কৃষকের ঘাম, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফসলেই আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের এই শ্রেষ্ঠ পেশাজীবীদের আজও আমরা অবজ্ঞা, অবহেলা আর অবমূল্যায়নের চোখে দেখি। কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো শুধু পেশাগত দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের নৈতিক কর্তব্য। উন্নত মানের প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও উৎপাদন উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি তাদের সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। দেশের খাদ্য, এই দেশের প্রাণ সবকিছুর মূলেই কৃষক।

  • সর্বশেষ