শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ০৮:৪১ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত থেকে ৩ ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিন ট্রাকে ৪০ টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিস্ফোরকবাহী চালানটি বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। বর্তমানে কাস্টমস কার্যক্রম শেষে বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে এটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খনি প্রকল্পের কাজের জন্য প্রথম ধাপে ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কেলটেক এনার্জিস লিমিটেড’ থেকে এই বিস্ফোরক কেনা হয়েছে। চালানের মধ্যে রয়েছে ৪০ মেট্রিক টন ইমালশন এক্সপ্লোসিভ, ১০০ কিলোমিটার ডেটোনেটিং কর্ড। তিনটি ভারতীয় ট্রাকে করে এই বিশাল চালানটি বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়।

বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বন্দরের নির্ধারিত নিরাপদ শেডে মালামালগুলো রাখা হয়েছে।

আগামী শুক্রবার (৮ মে) পুলিশি পাহারায় এসব বিস্ফোরক দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানির ম্যাগাজিনে পাঠানো হতে পারে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় চালানটি নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছি। বন্দরের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুলিশি পাহারায় নির্ধারিত সময়েই তা গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ