শিরোনাম
◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা ◈ ‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টিকারী বাজেট: সংসদে রফিকুল ইসলাম খান ◈ আসিয়ান সদস্যপদে মালয়েশিয়ার সমর্থন, তিস্তায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক, সহায়তা ১১০ কোটি ডলার ◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ০৮:৪১ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত থেকে ৩ ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিন ট্রাকে ৪০ টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিস্ফোরকবাহী চালানটি বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। বর্তমানে কাস্টমস কার্যক্রম শেষে বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে এটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খনি প্রকল্পের কাজের জন্য প্রথম ধাপে ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কেলটেক এনার্জিস লিমিটেড’ থেকে এই বিস্ফোরক কেনা হয়েছে। চালানের মধ্যে রয়েছে ৪০ মেট্রিক টন ইমালশন এক্সপ্লোসিভ, ১০০ কিলোমিটার ডেটোনেটিং কর্ড। তিনটি ভারতীয় ট্রাকে করে এই বিশাল চালানটি বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়।

বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বন্দরের নির্ধারিত নিরাপদ শেডে মালামালগুলো রাখা হয়েছে।

আগামী শুক্রবার (৮ মে) পুলিশি পাহারায় এসব বিস্ফোরক দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানির ম্যাগাজিনে পাঠানো হতে পারে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় চালানটি নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছি। বন্দরের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুলিশি পাহারায় নির্ধারিত সময়েই তা গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়