শিরোনাম
◈ 'ভবিষ্যৎ তোমাদের'—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর নতুন শিক্ষা পরিকল্পনা ◈ জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নেমেছে ব্রাজিল, খেলাটি সরাসরি দেখুন ◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর ◈ একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১২৪ ◈ করদাতাদের স্বস্তি দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭১৬

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০৫:৪৭ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬ মামলার আসামি গ্রেপ্তার এড়াতে বাড়ির চারপাশে সিসি ক্যামেরা বসিয়েও হলোনা শেষ রক্ষা!

ঢাকা ও চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় ৬ মামলার আসামি ছিলেন মো. সাইফুল ইসলাম (৪০)। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনেও ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসা ও আশপাশে বসিয়েছিলেন সিসিটিভি ক্যামেরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলোনা! অবশেষ রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসায় অবস্থান শনাক্ত করে কৌশলে তাকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল।

আজ রোববার তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাইফুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

গ্রেপ্তার সাইফুল গাড়ি কেনা–বেচা প্রতারক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বিঘা গ্রামে। গতকাল শনিবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাতপাখি এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানার একটি জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির এ কর্মকর্তা জানান, সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভাটারা, চাঁদপুর মডেল ও গুলশান থানাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতারণা, আত্মসাৎ, চুরি ও হুমকির অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে। এসব মামলা তদন্ত ও বিচারাধীন।

ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি পুরোনো গাড়ি কেনা–বেচা প্রতিষ্ঠানের মালিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সাইফুল ইসলাম ও তার এক সহযোগী ১০ লাখ টাকায় একটি গাড়ি বিক্রি করেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। পরে মালিকানা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে অনলাইনে যাচাই করে জানা যায়, গাড়িটির মালিকানা অন্য ব্যক্তির নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার কাছে জাল নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৈরি মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে। গাড়ির প্রকৃত মালিক আরেকজন। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এরপর ক্রেতাকে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালায় সাইফুল।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ জুন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। মামলায় সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানাকে আসামি করা হয়। রিজিয়া সুলতানা নিজেকে কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবার কখনো জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দাবি করে কাগজপত্রে সই করতেন। থানা–পুলিশের পরে মামলাটি তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তার স্ত্রী জামিনে রয়েছেন।

সিআইডির তদন্তে উঠে আসে, চক্রটি বিভিন্ন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাল মালিকানা চুক্তিনামা ও রশিদ তৈরি করে বিক্রি করতেন। সাইফুল নিজেকে কখনো বিভিন্ন কোম্পানির এমডি, কখনো সংবাদমাধ্যমের কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন। তাঁর স্ত্রীকেও ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে প্রতারণার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হতো। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়