শিরোনাম
◈ একাদশে ভর্তির শেষ সুযোগ, আবেদন করা যাবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ◈ চাহিদার চেয়ে বেশি আমদানি, তবু কমছে না ফলের দাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ, আসছে অধ্যাদেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ডের কারণে তালাক বন্ধ হয়েছে’: চিফ হুইপ ◈ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশ, বাংলাদেশিদের নিয়ে কঠোর হচ্ছে ইইউ ◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:২৮ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ১০ হাজার পিচ ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ১০ হাজার ১০০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা পুলিশের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দপুর এলাকার হাউজিং এস্টেটের উষা ভবন ও এর আশপাশে এ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ডিবি (ভাঙ্গা জোন) এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পি.এম. মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানে উক্ত ভবনের সামনে ও ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুই সহযোগীকে আটক করা হয়।

Advertisement

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আশিকুর রহমান রাহাত (২৫), সুমন মৃধা (৩২), মিরাজুল ইসলাম (২৯), রুমান মোল্লা (২৯) ও মোহাম্মদ সোলায়মান মৃধা (২৬)। তারা সবাই ফরিদপুর সদর কোতয়ালী থানা এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আশিকুর রহমান রাহাতের কাছ থেকে ২০টি প্যাকেটে মোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা, সুমন মৃধার কাছ থেকে ১৪টি প্যাকেটে ২ হাজার ৮০০ পিস এবং খোলা অবস্থায় আরও ১০০ পিসসহ মোট ২ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ১৬টি প্যাকেটে ৩ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সবমিলিয়ে ১০ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ভাঙ্গা জোন) পি.এম. মামুনুর রশিদ বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকসহ এই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামছুল আজম বলেন, “ফরিদপুর জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। সাধারণ জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে মাদক সরবরাহের বড় কোনো নেটওয়ার্ক আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ