শিরোনাম
◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলফাডাঙ্গায় আমগাছে ঝুলে তরুণীর আত্মহত্যা, চিরকুটে লিখে গেলেন কেউ দায়ী নয়

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আমগাছে ঝুলে রোকসানা (৩০) নামে এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা এবং বৈবাহিক জীবনের টানাপোড়েন থেকেই তিনি চরম বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চরডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রোকসানা ওই গ্রামের মৃত নওশের মোল্যার মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মৃত্যুর আগে রোকসানা একটি চিরকুট লিখে রেখে যান। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা ও মানসিক কষ্টের কারণেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন বলে চিরকুটে লেখা ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোকসানার জীবনে একাধিক বিয়ে হলেও কোনো সংসার স্থায়ী হয়নি। বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি বাবার বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। তার ১২ বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে। জীবনসংগ্রাম ও সম্পর্কের জটিলতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

সোমবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পেছনে একটি আমগাছের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। যেহেতু নিহত নিজেই কাউকে দায়ী করেননি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ নেই, তাই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ