মিজান লিটন: চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে চলছে মাছের ঝিলের নামে ভেকু দিয়ে ফসলী জমির মাটি কাটার মহোৎসব। ইউনিয়নের প্রায় ১০টি স্থানে শরিতপুর জেলার একটি প্রভাবশালী চক্র স্থানীয় কিছু ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে জমির টপসয়েল কাটার চলছে মহোৎসব।
টপ সয়েল কাটলে ফসল উৎপাদন কমে যায়। আর কিছু ব্যক্তি লাভবান হতে গিয়ে ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমি ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষক।
আইনে আছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন,২০১০ (পরবর্তীতে সংশোধিত) জরিমানা, কারাদন্ড ও উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চরফতেহজংপুর গ্রামের খানেপুর মৌজায় ও ফেরিঘাটের বিপরীত পাশসহ প্রায় ১০টি স্থানে শরিয়তপুর জেলার নান্টু মাল, ইউনুস মোল্লা, চান্দু চৌকিদার, হাফেজ খান, বিল্লাল গাজী, মমিন দিদার, মজু হাওলাদার, হারুন হাওলাদার, ইসমাইল তালুকদার, খোরশেদ হাওলাদারসহ একটি চক্র স্থানীয় কিছু লোককে সাথে নিয়ে মাছের ঝিলের নামে শত শত একর ফসলি জমির টপ সয়েল ভেকু দিয়ে কেটে ফেলছে। যার ফলে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এই চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। রাতের আঁধারে এই স্তুপকৃত মাটি জাহাজে করে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করে চক্রটি।
চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত রনির সাথে আলাপকালে তিনি জানান, কয়েকদিনপূর্বেও মাটি কাটার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ভেকু ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
তবে শিঘ্রই এদের বিরুদ্ধে ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।