শিরোনাম
◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ ◈ কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩, আরও যে তথ্য সামনে এসেছে ◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি সেদিন কোনো ভুল করিনি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:২১ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের মর্টারশেল–গুলিতে কেঁপে উঠল বসতঘর, আতঙ্কে সীমান্তবাসী

মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দে কাঁপছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বাড়িঘর। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে টিনের চালা ভেদ করে পড়ছে ঘরে। নাফ নদীতে মর্টারশেল পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এতে সীমান্তজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর থেকে থেমে থেমে একটানা ৪ ঘণ্টা টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো সীমান্ত এলাকায় মর্টারশেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির বিকট শব্দে সীমান্তবর্তী বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে এসব মর্টারশেল নিক্ষেপ ও গুলি চালানো হচ্ছে। এসময় হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন মোহাম্মদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস ও বালুখালী গ্রামের সরওয়ার আলমের বাড়িতে কয়েকটি গুলি এসে পড়ে। এছাড়া উত্তর পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি মর্টারশেল পড়লে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়।

Advertisement

মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বলেন, ‘শনিবার ভোর থেকে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর গোলাগুলির শব্দ হচ্ছে, সেইসঙ্গে মর্টারশেল ফায়ারের শব্দ ভেসে আসছে। ঠিক এমন মুহূর্তে আমার ঘরের টিনে পর পর দুটি গুলি এসে পড়লে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ এপারে ভেসে আসছে। যখন ফায়ার হয় বাড়ি-ঘর কেঁপে ওঠে।’

সরওয়ার আলম বলেন, ‘প্রচুর গোলাগুলির শব্দ শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে আমি বাড়ির ভেতরে একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। গুলির বিকট শব্দে আমরা ভয়ে কাঁপছিলাম। গুলি ও ফায়ারের সময় বাড়ি-ঘর কেঁপে উঠছিল। এমন অবস্থায় হঠাৎ একটি গুলি টিনের ছাউনি ছিদ্র করে বাড়ির ভেতরে পড়ে যায় এবং গুলিটি ঘুরতে থাকে। পরে গুলিটি হাতে ধরলে তা গরম অনুভূত হয়।’

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত প্রচুর গোলাগুলির শব্দ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এপারে ভেসে আসে। কয়েকটি বাড়িতে গুলি পড়েছে বলে শোনা গেছে। সূত্র: জাগোনিউজ

  • সর্বশেষ