শিরোনাম
◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী? ◈ গ্যাস বরাদ্দে সার ও বিদ্যুত বে‌শি গুরুত্ব পাওয়ায় দে‌শের এক হাজার শিল্পকারখানা বন্ধের উপক্রম ◈ দুর্গাপূজার মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে  প্রধানমন্ত্রী তারেক, রংপুর থেকে রাজশাহী, এরপর চট্টগ্রামে ◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর ক্রিকেটার‌দের তা‌মিম বল‌লেন, ক‌ঠোর প‌রিশ্রম চা‌লি‌য়ে যাও রেজাল্ট পা‌বে ◈ টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী ◈ বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪১ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোরেলগঞ্জে বিষখালী নদীর সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙে যান চলাচল বন্ধ

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের বলভদ্রপুর-কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের মসনী বিষখালী নদীর সেতুর সংযোগ সড়কের এক পাশ পানির স্রোতে ভেঙ্গে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে দুই উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এ ব্যপারে স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও কোন সংস্কারের কাজ হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টিতে ও পানির শ্রোতে সেতুর একপাশের মাটি ধসে গিয়ে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। ফলে সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এখন স্থানীয়রা বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময় ও খরচ উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র/ছাত্রীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

মসনী গ্রামের জসিম শেখ বলেন ‘সেতুর সংযোগ রাস্তাটি হঠাৎ ভেঙ্গে যাওয়ায় এখন আমাদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে পারাপার করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

Advertisement

আবেতা গ্রামের বাসিন্দা দিলীপ দাস বলেন-“আমরা প্রতিদিন এই সেতু পার হয়ে বাজারে যাই। এখন সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় পথঘুরে যেতে হচ্ছে, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।”

কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস বলেন, ব্রীজটির ডিজাইন,সয়েল টেস্ট,সার্ভেসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করা হয়ে ছিল, প্রকল্পের টাকা সংকটের কারনে বাদ হয়ে গেছে। উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে কোন প্রকল্প আসলে আমরা কাজটি করবো।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত মেরামত সহ সেতুটি  না করা হলে এ সেতুর দুই পাশের মানুষের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়বে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়বে।