শিরোনাম
◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী? ◈ গ্যাস বরাদ্দে সার ও বিদ্যুত বে‌শি গুরুত্ব পাওয়ায় দে‌শের এক হাজার শিল্পকারখানা বন্ধের উপক্রম ◈ দুর্গাপূজার মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে  প্রধানমন্ত্রী তারেক, রংপুর থেকে রাজশাহী, এরপর চট্টগ্রামে ◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর ক্রিকেটার‌দের তা‌মিম বল‌লেন, ক‌ঠোর প‌রিশ্রম চা‌লি‌য়ে যাও রেজাল্ট পা‌বে ◈ টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী ◈ বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিস্তা ব্যারেজ থেকে দেখা মিলল কাঞ্চনজঙ্ঘার, শীতের আগমনী বার্তায় মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে মেঘমুক্ত আকাশে দেখা মিলেছে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে দর্শনার্থীদের ভিড়ও বাড়ছে এই এলাকায়।

গত দু’দিন বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে তিস্তা ব্যারেজ ও সানিয়াজান নদীর তীর থেকে স্পষ্ট দেখা গেছে মহিমান্বিত কাঞ্চনজঙ্ঘা। টানা কয়েকদিনের মেঘলা আবহাওয়ার পর তিন দিন ধরে আকাশ পরিষ্কার থাকায় দর্শনার্থীরা সকাল থেকেই ব্যারেজে আসতে শুরু করেছেন।

ভোরের আলোতে সাদা রূপালি চূড়া যেন নতুন দিনের সৌন্দর্যকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। স্থানীয়রা পরিবার-পরিজন নিয়ে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে বিনা পাসপোর্টে ভারত বা নেপালে না গিয়েই তিস্তা ব্যারেজ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাওয়ায় স্থানীয়রা উচ্ছ্বসিত। ভূগোলবিদরা জানান, কাঞ্চনজঙ্ঘা নেপাল ও ভারতের সিকিম রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত, উচ্চতা ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার (২৮,১৬৯ ফুট), যা এভারেস্ট ও কে-টু’র পর বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ।

দেখতে আসা এক দর্শনার্থী মামুন হোসেন বলেন, ‘১০ কিলোমিটার দূর থেকে এসে সকালে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পেয়েছি, মনে হয় যেন সাদা বরফে মোড়া কোনো স্বপ্নের পাহাড়। এমন দৃশ্য দেখতে পেয়ে আমরা আনন্দিত।’

প্রকৃতিপ্রেমী আরএম রিমন বলেন, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘার এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য শীতের অল্প সময়ের জন্য হলেও, তিস্তাপাড়ের সৌন্দর্যকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। আমি মনে করছি, এই দৃশ্যকে কেন্দ্র করে তিস্তা ব্যারেজকে দ্রুতই একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।’ সূত্র: ইত্তেফাক