শিরোনাম
◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি ◈ কম্বোডিয়ার প্রতারণা চক্রের ফাঁদ থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরলেন ৩০ বাংলাদেশি ◈ ফ্রান্সে বিক্ষোভের ঝড়, পতনের মুখে ম্যাক্রোঁ?

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

গত দুই দিনের অভিযানে ৬৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল (জাটকা ধরার জাল) এবং ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

২৪ অক্টোবর পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।

চরাঞ্চলে চলছে মা ইলিশের অবাধ বেচাকেনা

Advertisement

সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে অবাধে চলছে জাটকা ও মা ইলিশের কেনাবেচা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে চরের অস্থায়ী বাজার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা চর এলাকায় বাদশার খেয়াঘাটে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রতিদিনই এলাকায় তদারকি করছি। জাল ও জেলে আটকও করেছি। তবে চর এলাকায় যেতে হলে পুলিশসহ অভিযান চালাতে হয়। আমরা পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। বাদশার খেয়াঘাটে প্রতিদিনই অন্তত দু’বার যাই।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির কারণে নিষেধাজ্ঞার সময়ও চরের অস্থায়ী বাজার ও খেয়াঘাটে অবাধে চলছে মা ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার, যা সরকারের সংরক্ষণ কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গুরুতর অপরাধ। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ