শিরোনাম
◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ◈ নিম্নমানের কাজ রুখতে ৩০ প্রকল্পে সমস্যা চিহ্নিত, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ◈ শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদার হলে বাড়বে কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ: মাহ্দী আমিন ◈ ট্রেজারি বেঞ্চে আসনবিন্যাসে পরিবর্তন: ফখরুলের স্থানে সালাহউদ্দিন ◈ যুবলীগের পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ◈ সংসদে চরম হট্টগোল, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বামীর সম্পত্তি লিখে নিতে চাপ, পরকীয়ায় বাধা দিলে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা: প্রেমিকসহ স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় আব্দুর রশিদ নামে এক জমি ব্যবসায়ীকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর জোর করে দাফন সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে রুবেল হাওলাদার বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহত আব্দুর রশিদের দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা বেগম (৪২), তার দুই মেয়ে জাকিয়া সুলতানা (২১), মায়া আক্তার (৩৫) ও পরকীয়া প্রেমিক জাকারীয়া ভেন্ডার (৫৫) সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সন্ত্রাসীকে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে মামলার আদেশ পেয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রহমান সাব্বির জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহিন উদ্দিন কাদেরের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে রুবেল হাওলাদার।

তার আইনজীবী সাইদুর রহমান সাব্বির আরও জানান, গত ২৮ আগস্ট রাতে ফতুল্লার ভুইগড় মাহমুদপুর এলাকায় জমি ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের নিজ বাড়িতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। আব্দুর রশিদের তিন তলা এ বাড়িটি দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা বেগম ও মেয়ে জাকারিয়া সুলতানার নামে আগেই লিখে নিয়েছেন তারা। এরপর থেকে মোর্শেদা পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন জাকারিয়া ভেন্ডার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে।

বাদীপক্ষের এই আইনজীবি আরও জানান, মোর্শেদার আগের স্বামীর মেয়ে মায়া আক্তার প্রায় সময় আব্দুর রশিদকে বাড়ির জমিটি লিখে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন। আর স্ত্রী মোর্শেদাকে নিজ ঘরেই পরকীয়া প্রেমিকের সাথে অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে দেখতেন আব্দুর রশিদ। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মোর্শেদা বেগম দুই মেয়েকে সাথে নিয়ে আব্দুর রশিদকে মারধর করতেন।

আইনজীবী সাব্বির জানান, হত্যাকাণ্ডের রাতে খুন হওয়ার আশঙ্কার কথা আব্দুর রশিদ নিজেই আশপাশের লোকজনদের জানিয়ে যান। মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরা এসে আব্দুর রশিদের রক্তাক্ত লাশ দেখে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বুঝতে পারেন। তখন তারা থানায় খবর দিতে চাইলে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে মাহমুদপুর কবরস্থানে আব্দুর রশিদের লাশ দাফন করা হয়।

বাদী রুবেল হাওলাদার এ বিষয়গুলো মামলায় উল্লেখ করেছেন বলে জানান তার আইনজীবী সাইদুর রহমান সাব্বির।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোর্শেদা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, 'জাকারিয়া ভেন্ডারের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আমার স্বামীর সঙ্গে ব্যবসা করতেন। তারা মামলায় যা উল্লেখ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।' উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ